মেইন ম্যেনু

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার তথ্যই নেই ঢাকা ২ সিটির

বিভিন্ন হাসপাতালের বর্জ্য ও গৃহবর্জ্য ব্যবস্থাপনা কীভাবে হবে, পয়নিষ্কাষণ, সিটি করপোরেশনের নিজস্ব বিল্ডিং, সুইপার প্যাসেসসহ অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তার সঠিক কোনো তথ্য নেই ঢাকার দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের কাছে। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী এমন প্রতিবেদন দাখিল করেছে ঢাকার এই দুই সিটি করপোরেশন।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে দুই সিটির পক্ষে এ সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি আদালতে দাখিল করা হয়।

একই সঙ্গে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আইন অনুসারে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সে বিষয়েও আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।

গত ৭ ডিসেম্বর ‘অব্যবস্থাপনায় ময়লার ভাগাড় ঢাকা’ শিরোনামে একটি দৈনিকে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মহিদুল কবির বর্জ্য ব্যবস্থানায় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ দেন। নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাওয়ার পরেও কোনো জবাব না পাওয়ায় ওই আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। তখন রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট আইন অনুসারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সে সম্পর্কে তিন মাসের মধ্যে আদালতকে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছিলো। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করেন দুই সিটি করপোরেশন।

আইনজীবী সৈয়দ মহিদুল কবির বলেন, ‘এটি একটি আংশিক প্রতিবেদন। দুই সিটির কোনো প্রতিবেদনেই হাসপাতালের বর্জ্য ও গৃহবর্জ্য ব্যবস্থাপনা কীভাবে হবে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। পয়নিষ্কাষণ, সিটি করপোরেশনের নিজস্ব বিল্ডিং, সুইপার প্যাসেসসহ অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সে বিষয়েও কোনো তথ্য নেই।’

এদিকে প্রতিবেদনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আরও জানায়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ৩৩টি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) স্থাপন করা হয়েছে। যার প্রতিটির আয়তন দুই হাজার বর্গফুট। আরও ২৩টির কাজ প্রক্রিয়াধীন। ১ হাজার ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছে।

পাশাপাশি দক্ষিণ সিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালকে পরিচ্ছনতা বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মধ্যরাত থেকে সকাল ৭টার মধ্যে ডাস্টবিনে ময়লা ফেলতে বলা হয়েছে। সকাল সাতটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত ময়লা ফেলার কাজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তিন হাজার ৬০টি ডাস্টবিন স্বল্প দূরত্বে স্থাপন করা হয়েছে। আরো ৫ হাজার ৭’শটি স্থাপনের কাজ চলছে।