মেইন ম্যেনু

বর্তমানে যৌনতা নির্ভর বিনোদন যেভাবে কাল হয়ে দাড়িয়েছে আমাদের জীবনে

আমাদের ম্যাক্সিমাম বিনোদন এখন যৌনতা নির্ভর। নাটক, মুভি, গান, বিজ্ঞাপন সবখানে দেখানো হয় রিলেসানশিপ, মাস্তি, পার্টি, হ্যাংআউট, রুমডেট, লংড্রাইভ, কিসিং। আসলে এসবের পিছনে রয়েছে শক্তিশালী কর্পোরেট/কমারশিয়াল চিন্তা ভাবনা। মানুষকে এগুলোতে যত বেশি ইনভলভ করা যাবে এর সাথে রিলেটেড সকল বিজনেস তত বেশি চলবে। মানুষ চলে তার পরিবেশকে অনুসরণ করে। ফলাফল যা হবার তাই- নিজেদের প্রবল ফ্যান্টাসি থেকে আমরাও জড়িয়ে যাচ্ছি এমন রিলেসানশিপে।

অনিয়ন্ত্রিত ফ্যান্টাসি থেকে এখন হিউজ পরিমাণ ফিজিক্যাল রিলেসানশিপ গড়ে উঠছে। নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে অনেকের এমন অনেক অনিয়ন্ত্রিত সম্পর্ক দেখেছি। শেষমেশ সবারই এমন ভয়াবহ পরিণতি হয়েছে যা বলার মত না। সুস্থ স্বাভাবিক জীবন থেকে সরে গেছে বা জীবন শূন্য হয়ে গিয়েছে।

আমার পরিচিত এক ছেলে HSC তেই পড়ার সময় একটা মেয়ের সাথে ফিজিক্যাল রিলেসানশিপ হয়। পরবর্তীতে মেয়েটা তাকে ছেড়ে যায়। এরপর সে দিনরাত শুধু দেহ খুঁজে বেড়ায়। সে তার লাইফে সব হারিয়েছে। এখন বুঝতে পেরেছে যা করেছে সব ভুল। কিন্তু হাহাকার আর কান্না ছাড়া আর কিছুই করার নাই। আমি একটা মেয়েকে চিনি যে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে তিন বছর ফিজিক্যাল রিলেসানশিপ করেছে। একবার সে পেগন্যান্ট ও অ্যাাবরশান নামক ভয়াবহ অবস্থার মধ্য দিয়ে গিয়েছে। এখন সে কোন ছেলের সাথে একা একা ঘুরতে যেতেও ভয় পায়। তার হাহাকার আমি কেন স্বাভাবিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে গেলাম না।

রিলেসানশিপ সবসময়য় সুস্থ স্বাভাবিক রাখা উচিত। সবচেয়ে ভাল হয় এসবে না জড়ানো। তারপরও যদি ভাললাগা থেকে কারো সাথে সম্পর্ক হয় তবে দ্রুত বিয়ে করা উচিত। দেহের ভালবাসা দিয়ে মনে পৌঁছানো যায় না, মনের ভালবাসা দিয়ে দেহে পৌঁছাতে হয়। রুম ডেট নাটকটা দেখার পর এই লেখাটা লিখেছি। যদিও এখানে আপত্তিকর কিছু সংলাপ ও এক্সপ্রেশান রয়েছে, তবুও এখানে কিছু স্ত্রং মেসেজ রয়েছে। আমার মনে হয়েছে মেসেজটা এমন হওয়া উচিত তাই লিখলাম।

লেখক: আব্দুল্লাহ ফারুক