মেইন ম্যেনু

বসন্তেও খসখসে গোড়ালী?

বসন্তের এই শুষ্ক দিনে পায়ের গোড়ালীর খসখসে ভাবটা একদমই যাচ্ছে না। সূক্ষ্ম ফাটলে ঠিকই ময়লা জমে থাকছে। বাইরে বের হলেই ধুলো লেগে পা নোংরা দেখাচ্ছে। প্রতিদিন ঠিকমতো যত্ন না নিলে ফাটল বাড়ছে। অথচ কোনোভাবেই সে ফাটল রোধ করা যাচ্ছে না। তাই দরকার উপযুক্ত যত্ন আত্তি।

কলা মাস্ক

পায়ের গোড়ালীর চামড়া নরম কোমল হলে আর ফাটে না। চামড়াও থাকে মসৃণ। আলগা ময়লাও জমে না। তাই পায়ের গোড়ালী নরম করতে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। সেজন্য পাকা কলা চটকে পায়ের গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। পনের মিনিট অপেক্ষা করে এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন।

এটি পায়ের গোড়ালি ফাটা বা খসখসে থেকে মুক্তি দেবে। পায়ের গোড়ালি নরম কোমল আর সুন্দর হয়ে উঠবে। এছাড়া কলা আপনার পায়ের জন্য ভালো ফুট ময়েশ্চারাইজারের হিসেবেও কাজ করে।

গ্লিসারিন

গ্লিসারিন এর ময়েশ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্য পায়ের ত্বক বা গোড়ালী ফাটল রোধে দারুণ কার্যকর ভূমিকা রাখে। সম পরিমাণ গ্লিসারিন ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। কিছুটা গোলাপ জলও এতে যোগ করতে পারেন। পায়ের ত্বক ও গোড়ালীতে এ মিশ্রণ মেখে ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহ দুয়েক করলেই পা ফাটা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

ভিনেগার

ভিনেগার বা সিরকা ত্বকের ফাটল সারানোর কাজে দারুণ কার্যকর। আধা কাপ হতে এক কাপ পর্যন্ত সাদা বা আপেল সিডার ভিনেগার দুই কাপ পানিতে মিশান। এ পানিতে পায়ের গোড়ালী ১০ থেকে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। শুকনা, মৃত ত্বক পা ঘষার ঝামা পাথর বা ফুট স্ক্রাবার দিয়ে হালকা ভাবে ঘষে তুলুন। পা পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে মুছে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। সবশেষে পায়ে যে কোন ময়েশ্চারাইজার কিংবা পেট্রোলিয়াম জেলি মেখে নিন।