মেইন ম্যেনু

বসার জায়গা পাননি নতুন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী!

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার তৃতীয় দিনেও সচিবালয়ে বসার জায়গায় নির্ধারণ হয়নি নুরুজ্জামান আহমেদের। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মন্ত্রণালয়ে খাদ্যমন্ত্রীর কক্ষে বসেন।

নতুন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে যান। সচিবালয়ের ৪ নম্বর ভবনের সামনে পৌঁছালে মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাঁকে বরণ করে নেন। এরপর তিনি ভবনের দ্বিতীয় তলায় খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে কিছুক্ষণ বসে বেলা ১২টায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আয়োজনে পরিচিতি অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে পুনরায় তিনি মন্ত্রীর কক্ষে এসে বসেন। এ সময় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী কোথায় বসবেন, তাঁর জন্য কোনো কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে কি না এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে খাদ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘তিনি যেহেতু প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমাদের মন্ত্রণালয়ে এসেছেন। তাঁর বসার ব্যবস্থাও হবে। আমরা আলাপ-আলোচনা করে মন্ত্রণালয়ে তাঁর বসার জন্য কক্ষ বের করব।’

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সচিবালয়ে যাওয়ার আগেই গণপূর্ত বিভাগ মন্ত্রণালয়ে কক্ষ নিধার্রণ করে রাখে। এ ব্যাপারে গণপূর্ত বিভাগে যোগাযোগ করা হলে সেখান থেকে কেউ কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানান।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খাদ্য মন্ত্রণালের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এখনো আয়োজন করতে পারিনি। তবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের বসার জায়গা নির্ধারণের চেষ্টা করছি।’

গত ১৪ জুলাই (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় তিন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। ওই দিনই দপ্তর বণ্টন হয়। নুরজ্জামান আহমেদ খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

আজ প্রথম দিন সচিবালয়ে গিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান। এই মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আপনার অবস্থান কী হবে- এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর বিশ্বাস ও আস্থা রেখে আমাকে এই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আমি যথাযথ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করব।’

ব্রাজিল থেকে আমদানি করা গমের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মাত্র দায়িত্ব নিয়েছি। এখনই এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারছি না।’