মেইন ম্যেনু

বহুতল ভবনের বেসমেন্টের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে

ঢাকা মহানগরীর সব আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনের বেসমেন্ট গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। যেসব ভবনের বেসমেন্টে অন্য স্থাপনা রয়েছে, তা উচ্ছেদ করা হবে। কোনো ভবন নির্মাণের সময় ফুটপাত বা রাস্তায় নির্মিত র‌্যাম্পও ভেঙে ফেলা হবে।

আজ রবিবার সচিবালয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় জানানো হয়, বিভিন্ন ভবনের বেসমেন্টে গাড়ি পার্কিং না করে দোকানপাট, রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি স্থাপন করে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে সংলগ্ন রাস্তায় গাড়ি পার্কিং করার কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

অন্যদিকে আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবনে গাড়ি ওঠানোর জন্য র‌্যাম্প স্থাপন করায় ফুটপাত দিয়ে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন হচ্ছে। কোথাও কোথাও রাস্তা জুড়ে র‌্যাম্প নির্মাণ করায় রাস্তা সরু হয়ে গেছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, রাজধানীসহ চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা সিটি করপোরেশনেও এ কর্মসূচি চালানো হবে। ঢাকায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রামে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং খুলনায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এসব উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেবে। আগামী সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেতৃত্বে একটি করে কমিটি গঠন করে এ অভিযান চালানো হবে। এ সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের চলমান স্থাপনা তালিকা প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত করতে হবে। সেই তালিকা অনুযায়ী চলবে উচ্ছেদ অভিযান।

সভায় আরো সিদ্ধান্ত হয়, পরবর্তী পর্যায়ে আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা রেস্টুরেন্ট, গেস্টহাউস, স্পা ও ম্যাসেজ পারলারসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং স্কুল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ, রাজউকের চেয়ারম্যান জি এম জয়নাল আবেদীন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আব্দুচ সালাম, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সামছুল আলম খান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সামাদ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ, নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধি এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।