মেইন ম্যেনু

বাঁচতে চায় তনুশ্রী : বাড়িয়ে দিন সাহায্যের হাত

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : তনুশ্রী পাল, পিতাঃ প্রশান্ত কুমার পাল, গ্রামঃ কৃষ্ণপুর (কুমার পাড়া), ডাকঘরঃ কুড়িগ্রাম। বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ‘ক’শাখার ছাত্রী। বর্তমানে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে তনুশ্রী নামের ছোট্র শিশুটি। আপনাদের সহযোগিতায় বেঁচে যেতে পারে ফুট ফুটে তনুশ্রীর জীবন। আবার হয়তে ব্যাগ কাধে নিয়ে ফিরে যাবে তার নিজ স্কুলে।

হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে ২০১৪ সালের ১৫ই মার্চ রংপুর ডক্টরস্ হসপিটাল এর চিকিৎসক ডাক্তার আনোয়ার হোসেন ও ডাক্তার স্বপন কুমার নাথ এর তত্ত্ববধানে চিকিৎসা শুরু করে। এরপর ১৮ই মার্চ তার‘‘লিভার অভারী টিউমার ’’অপারেশন করা হয় পরবর্তীতে টিস্যু টেষ্ট এ‘‘ক্যান্সার’’ সনাক্ত করা হয়। ডাক্তার মৌখীক ভাবে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক ২০১৪ সালের মে কলকাতার কেয়ার ভিশন হাসপাতালে ক্যান্সার চিকিৎসক ডাক্তার রাহুল রায় চৌধুরী, নীল রতন হাসপাতালের ক্যান্সার চিকিৎসক ডাক্তার তাপস কুমার দাস এবং বর্তমানে হাওড়া নারায়না সুপার ষ্পেশালিটি হাসপাতালের চিকিৎসক অরুনা শংকর রায় ,অরুনাভ রায়,পার্থ প্রতিম সেন এর যৌথ তত্ত্ববধানে ক্যান্সার রোগের চিকিৎসা চলছে।

তনুশ্রী’র বাবা প্রশান্ত কুমার পাল জানান, আমি সামান্য একজন্য মৃৎ শিল্পী, বর্তমানে এই মৃৎ শিল্পীর দুর্দিন চলছে তাই আমি এ পেশা ছেড়ে দিয়েছি। আমার জায়গা জমি বিক্রি করে কিছু লোকের সহযোগিতায় প্রায় ১৫-১৬ লক্ষ টাকা আমি বাংলাদেশ ও ভারতের কলকাতায় মেয়ের চিকিৎসা করাই। এখন একেবারে নিঃস্ব। বর্তমানে আমি অর্থের অভাবে চিকিৎসা চালাতে পারছিনা। কলকাতার ডাক্তার বলেছে,আর একটি ছোট অপারেশন করলে হয়তো বেঁচে যাবে শিশু তনুশ্রী। এ জন্য আরও প্রায়োজন প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকা। আমি আপনাদের কাছে করজোড়ে সহযোগিতা কামনা করছি, আমার মেয়ের জন্য।

শিশু তনুশ্রী পাল নিজেও জানে না মরণব্যাধি ক্যান্সার তাকে ঘিরে রেখেছে, যে কোন মহুর্তে নিভে যেতে পারে তাঁর জিবন প্রদীপ। সে জানায় বাবা-মা বলেছে তুমি একটু অসুস্থ্য। সুস্থ্য হলে নিয়মিত আবার স্কুলে যাবে। সত্যি কী তনুশ্রী স্কুলে যেতে পারবে?

সহযোগীতা পাঠানোর ঠিকানা : প্রশান্ত কুমার পাল, সঞ্চয়ী হিসাব নং-১২৪৫০, ইসলামী ব্যাংক লিঃ,কুড়িগ্রাম শাখা। মোবাইল ও বিকাশ নম্বর : ০১৭২৫৯৩১৮৩৬।