মেইন ম্যেনু

বাংলাদেশে অধ্যয়নরত মেডিকেল শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় নেপাল!

বাংলাদেশের বিভিন্ন বেসরকারি মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন নেপাল সরকার! নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, বাংলাদেশস্থ নেপাল দূতাবাসের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা বুধবার স্বাস্থ্যসচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উদ্বিগ্নের কথা জানিয়েছেন।তারা নেপালি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ভেবে দেখার অনুরোধ জানান। স্বাস্থ্যসচিব বিষয়টি সদয় বিবেচনার আশ্বাস দেন।খবর জাগো নিউজের।

জানা গেছে, সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তিন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে। পরবর্তীতে ওই আদেশ প্রত্যাহার করলেও ওই তিন মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত নেপালি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে পড়ে।পরে শিক্ষার্থীরা অভিভাবকদের মাধ্যমে বিষয়টি নেপাল সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা এ সাক্ষাৎ করেন।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, এ তিন বেসরকারিসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে কতজন নেপালি পড়াশুনা করছেন তা জানতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাইল খানকে দায়িত্ব দিয়েছেন স্বাস্থ্যসচিব।

জানা গেছে, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ পরিচালনা নীতিমালার শর্ত পূরণ না করায় গত ১২ জুন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আশুলিয়ার বেসরকারি নাইটিংগেল মেডিকেল কলেজ, রংপুরের নর্দান মেডিকেল কলেজ এবং গাজীপুরের সিটি মেডিকেল কলেজ সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণার করে। পরে খবরটি গণমাধ্যমে প্রচার হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। তারা মানবিক বিবেচনায় কলেজ বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সরে আসার অনুরোধ জানায়।

অবশ্য ১৬ জুন বন্ধ ঘোষণার আদেশ প্রত্যাহার করে নেয় মন্ত্রণালয়। তবে ওই কলেজগুলোতে আসন্ন ২০১৬ ও ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবেনা বলে সিদ্ধান্ত হয়।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) বলেন, নেপাল দূতাবাসের কর্মকর্তারা প্রকৃত তথ্য না জেনেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। এখনও পর্যন্ত নাইটিঙ্গেলসহ তিন মেডিকেল কলেজ বন্ধ করা হয়নি। তবে আসন্ন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবেনা । তবে কলেজগুলো যদি বন্ধ ঘোষণা করা হয় সেক্ষেত্রে নেপালি শিক্ষার্থীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হবে।