মেইন ম্যেনু

বাংলাদেশে আত্মঘাতী হামলার ছক জেএমবির!

নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি যেকোনো মুহূর্তে বাংলাদেশে আত্মঘাতী হামলা চালাতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে ভারতীয় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনআইএ)। ভারতীয় অনলাইন কলকাতা ২৪×৭ এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ বলা হয়েছে, সম্প্রতি এনআইএর তিন সদস্যের একটি দল ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তর, র‌্যাব ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং একটি প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন। এতেই বাংলাদেশে জেএমবির আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

এনআইএ-র প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফর এবং জেএমবির আত্মঘাতী হামলা চালানোসংক্রান্ত তাদের প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মোজাম্মেল হক খান বলেছেন, সবই ঠিক আছে। তারা এসেছিলেন, আমাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করবো না। তিনি বলেন, জেএমবি নিয়ে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাবের পরিচালক (মিডিয়া) মুফতি মাহমুদ বলেন, এনআইএ-এর প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবে আমরা দীর্ঘদিন ধরে জেএমবি নিয়ে কাজ করছি। এ ব্যাপারে আমাদের সফলতাও রয়েছে। ওদের কাজ কর্ম আমাদের নজরে রয়েছে। ওরা কেউ আমাদের নজরদারির বাইরে নয়। বাইরের কে কী বললো তা নিয়ে আমরা ভাবছি না।

এদিকে সিআইডির স্পেশাল টিমের এসপি মির্জা আব্দুল্লাহেল বাকি বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবে জেএমবির বড় কিছু করার সামর্থ্য নেই। ওদের কর্মকাণ্ড আমাদের নজরদারির মধ্যে রয়েছে। এরই মধ্যে বেশ কিছু নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওদেরকে সংগঠিত হতে দেয়া হচ্ছে না। এরপরও যদি কেউ মরতে চায় তাহলে সে মরতে পারে। তবে বড় কিছু করার ক্ষমতা এখন আর ওদের নেই।

বাংলাদেশে গোয়েন্দা পুলিশের কাছে এনআইএয়ের দেওয়া তথ্যমতে একাধিক বাংলাদেশ জেএমবি সদস্যের নাম রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, জেএমবি দিনাজপুর, বগুড়া, রাজশাহী, কুষ্টিয়া ও সিলেট চারটি ভাগে ভাগ করে হামলার চেষ্টা করছে। উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় তাদের জঙ্গি রয়েছে। এরা আগের চেয়ে কিছুটা শক্তিও অর্জন করেছে।

এতে আরও বলা হয়, বর্ধমানে বোমা বিস্ফোরণ করলেও জেএমবি সেখানে সুবিধা করতে পারেনি। তাই তারা সীমান্ত দিয়ে ফের বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

জঙ্গিরা বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করে উভয় দেশের সিমকার্ড ব্যবহার করে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। এছাড়া জঙ্গি দমনে ভারত-বাংলাদেশের একযোগে কাজ করা প্রয়োজন বলে জানায় এনআইএ।ঢাকাটাইমস