মেইন ম্যেনু

বাংলাদেশে আসতে পারবেন না ওয়ার্নার!

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের বাকি তিন ম্যাচ তো বটেই, অক্টোবরে বাংলাদেশের বিপক্ষে অনুষ্ঠিতব্য ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজেও খেলতে পারছেন না অস্ট্রেলীয় ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে চলাকালে ইনিংসের একেবারে শুরুতেই স্টিভেন ফিনের বলে আঙ্গুলে আঘাত পান স্টিভেন স্মিথের ডেপুটি ওয়ার্নার। সাথে সাথেই মাঠ ত্যাগ করেন তিনি। এরপর আর মাঠেই নামতে পারেননি।

শেষ পর্যন্ত আঙ্গুলের এক্সরে করার পর জানা গেলো, অন্তত ছয় সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে ওয়ার্নারকে। আগামী মাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগেই হয়তো সুস্থ হয়ে উঠবেন ওয়ার্নার। এমনকি প্রথম টেস্টও খেলার উপযুক্ত হয়ে উঠবেন তিনি; কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকরা চাচ্ছেন, বাংলাদেশের বিপক্ষে একেবারে নতুন একটি ওপেনিং জুটিকে ক্রিজে নামিয়ে দিতে।

টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিং জুটিতে ওয়ার্নারের সঙ্গে ছিলেন ক্রিস রজার্স। অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান অবসরে যাওয়ার পর ওয়ার্নারের সঙ্গী হলেন জো বার্নস। এবার তার ইনজুরির কারণে সুযোগটাও পেয়ে গেলেন অসি নির্বাচকরা। নতুন ওপেনার তুলে আনতেই এই সুযোগ কাজে লাগাতে চান তারা। যে কারণে, বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে জো বার্নসের সঙ্গে ওপেনার হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ক্যামেরন ব্যানক্রফটের। শুধু তাই নয়, ওপেনিং পজিশনে ফিরে আসতে পারেন শেন ওয়াটসনও। অসি নির্বাচকরা সব সম্ভবনাই খতিয়ে দেখছেন।

ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ব্যানক্রফট ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুন সফল। ২৪টি প্রথম শ্রেনীর ম্যাচ খেলে তার ব্যাট থেকে রান এসেছে ১৫৭০। গড় ৩৭.৩৮। সেঞ্চুরি ৪টি। সর্বোচ্চ রান ২১১। সুতরাং, ওপেনিং জুটিতে নতুন ‘রক্তে’র প্রবাহ আনতে অস্ট্রেলিয়া টিম ম্যানেজমেন্ট তাকেও পাঠিয়ে দিতে পারেন বাংলাদেশে।

স্টিভেন স্মিথ ওয়ার্নার সম্পর্কে বলেন, ‘আমি নিশ্চিত নই যে, বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে তিনি খেলতে পারবেন কি না। তাকে এভাবে হারিয়ে ফেলা আমাদের জন্য হতাশাজনক। তবে এটাও ঠিক, ছেলেরা সবাই নিজেদের কাজটা ঠিক ঠিক করেছে। যে কারণে আমরা জয়টা (ইংল্যান্ডের বিপক্ষে) তুলে নিতে পেরেছি।’