মেইন ম্যেনু

‘বাংলাদেশ সীমান্তে কয়েকশো টাওয়ার স্থাপন করবে ভারতের’

আন্তর্জাতিক সীমান্তে মোবাইল সংযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা বলে ভারত-বাংলাদেশ ভারত-ভুটান, এবং মিয়ানমার সীমান্তে প্রায় সাড়ে চারশো মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করতে যাচ্ছে ভারতের সরকারি টেলিকম সংস্থা বিএসএনএল। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ের তরফে আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধ এলাকায় মোবাইল স্থাপনের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার পর এমন সিদ্ধান্তের কথা জানায় কোম্পানিটি।

সীমান্ত ঘেঁষে মোবাইল টাওয়ার থাকলে চোরাকারবারি বা অন্যান্য অপরাধীদের সুবিধে হবে, এই আশঙ্কাতেই ওই অঞ্চলে এতদিনে টাওয়ার বসানোর ওপর নানা বিধিনিষেধ ছিল। কিন্তু ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয়।

সরকারি বিধিনিষেধের কারণে সীমান্ত এলাকার মানুষজন তাদের মোবাইল ফোনে সিগনাল পেতেন না বললেই চলে – আর সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফেরও ভরসা ছিল শুধু নিজস্ব ওয়্যারলেস। তবে এবার টাওয়ার স্থাপনের কারণে সীমান্ত এলাকার মানুষের যোগাযোগ অনেক সহজ হবে বলে মনে করছে বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ।

বিএসএনএল আসাম টেলিকম সার্কেলের চিফ জেনারেল ম্যানেজার রাজিব যাদবের বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস জানায়, এরইমধ্যে দরপত্র প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০১৭ সাল নাগাদ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলেও জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।

রাজিব যাদব বলেন, ‘সীমান্ত চৌকি ঘেঁষে টাওয়ারগুলো স্থাপন করা হবে। যেহেতু ৪০ কিলোমিটার পর পর সীমান্ত চৌকির অবস্থান সেক্ষেত্রে ৪০ কিলোমিটার পর পর টাওয়ার স্থাপিত হবে। আর এমন করে প্রায় সাড়ে চারশোটি টাওয়ার স্থাপন করা হতে পারে।’

একবার প্রকল্পটি সর্ম্পর্ণ হওয়ার পর সীমান্ত এলাকা দিয়ে মোবাইল সংযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পার্বত্য এলাকায় মোবাইল সংযোগ বাড়াতে ২ হাজারটি টাওয়ার স্থাপনের আবেদন জানিয়েছে আসামের রাজ্য সরকার। এ প্রকল্পটি সীমান্ত এলাকায় সংযোগ বাড়াতে সহায়তা করবে বলে বলে আশা প্রকাশ করেন রাজিব।