মেইন ম্যেনু

‘বাঘের পিঠ থেকে নামতে পারছে না সরকার’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘সরকার কোনো আইন-কানুন মানছে না। গণতান্ত্রিক রীতিতে এটা কোনো সরকারই না। নৈতিকভাবেও তারা সরকার না। তারা জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেনি। তারা এত লুটপাট, গুম-খুন, অপশাসন করেছে; এখন তারা বিচারের ভয়ে ক্ষমতা ছাড়তে ভয় পাচ্ছে। তারা যেন বাঘের পিটে সওয়ার হয়ে বসে আছে। আর নামতে পারছে না।

রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে তিনি এ সব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন। ইফতার মাহফিল পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম খান নাসিম।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, শ্রমিক দলকে শক্তিশালী করার বিকল্প নেই। যিনি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, তিনি নিজে থেকে দায়িত্ব থেকে সরে যাবেন। ইয়ার্কি মারার সময় নেই। সরকার হাজার হাজার নেতাকর্মীকে জেলে আটকে রেখেছে। গণহারে বদলি করে হয়রানি করছে। এমন সময়ে পদ-পদবী দখল করে বসে থাকলে চলবে না।

বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন, শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। জনগণের সমর্থন কাজে লাগাতে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলন-সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে গণতন্ত্র রক্ষায় ভূমিকা রাখতে হবে।

শ্রমিক দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, স্বৈরাচারী সরকার দ্বারা জেল-জুলুম নির্যাতন চলছে। এ সরকারের পতন ঘটাতে হবে। শুধু কথা দিয়ে পতন ঘটালে হবে না। বাস্তবে আন্দোলন করে এ সরকারের পতন ঘটাতে হবে। এ জন্য সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।

তিনি বলেন, সংগঠনের দুর্বলতার কারণে আমরা সরকার পতনের কাছাকাছি গিয়েও সফল হতে পারিনি। সমস্ত কলকারখানা ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগ দখল করে নিয়েছে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে শ্রমিক দলকে সংগঠিত করতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। আর যে শক্তিশালী করতে পারবেন না তিনি তার দায়িত্ব থেকে সরে যাবেন। অন্যথায় আমরা নেতৃত্ব পরিবর্তন করে দেব।

ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শাহ মো. আবু জাফর, শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, মেহেদী হালিম খান, ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রসুল পারভেজ প্রমুখ।