মেইন ম্যেনু

বাঙালি নয়, বাংলা ছবিতে আগ্রহী বেশি অবাঙালিরা

বাংলা ছবি চলছে না। বাঙালি দর্শক হল’এর বদলে টেলিভিশনে বিনোদন খুঁজে নিচ্ছেন। টলিউড নিয়ে এই কথাগুলোয় নতুনত্ব নেই। চমক অন্য জায়গায়। বাংলা ছবি দেখতে আগ্রহী হচ্ছেন অবাঙালিরা! ‘বেলাশেষে’, ‘প্রাক্তন’, ‘ঈগলের চোখ’ই তার প্রমাণ।

অনেক পরিচালক এখন এমন গল্প বাছতে চাইছেন, যার আবেদন সর্বজনীন। বাঙালি থেকে গুজরাতি, সকলেই যেন বিষয়টার সঙ্গে একাত্ম হতে পারেন। আগে কোনও বাংলা ছবি পশ্চিমবঙ্গের বাইরে বা বিদেশে মুক্তি পেলে তখনই শুধু ইংরেজি সাবটাইটেল ব্যবহার করা হতো। এখন এ রাজ্যে চালানোর জন্যেও ইংরেজি সাবটাইটেল রাখা হচ্ছে।

শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় যেমন ‘রামধনু’র সময় থেকেই ইংরেজিতে সাবটাইটেল দেওয়া শুরু করে দিয়েছিলেন। বললেন, ‘বুঝতে পেরেছিলাম, অবাঙালিরাও আগ্রহী হচ্ছেন। তাই একটা চেষ্টা করে দেখলাম। ফল যে পেলাম, সেটা বলাই বাহুল্য। খুব নিশ্‌ নয়, সকলের বোধগম্য হওয়ার মতো ছবিগুলো দেখতেই অবাঙালিরা আগ্রহী হচ্ছেন।’

শিবপ্রসাদ-নন্দিতা রায়ের ‘বেলাশেষে’ দেখতে প্রিয়া সিনেমা হলের একটি শো পুরো বুক করে নিয়েছিলেন গুজরাতিরা। এমন ঘটনা বাংলা ছবির ইতিহাসে আর ঘটেনি! এছাড়াও বহু অবাঙালি ‘বেলাশেষে’ দেখেছেন। বলা হয়, কোয়েস্ট’এ অবাঙালি দর্শকের সংখ্যাই বেশি। সেখানেই ২০০দিন পার করেছে ‘বেলাশেষে’! এবেলা