মেইন ম্যেনু

‘বাটি চালান দিলেও ছাত্রদল-শিবির পাওয়া যাচ্ছে না’

খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, বাটি চালান দিলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু এরা সারা দেশে জঙ্গিতৎপরতা চালানোর জন্য তৎপর।

শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুল ইসলাম এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে ছাত্রলীগ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেছেন, ১/১১-তে ছাত্রলীগ যেভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে ছিল তা ভোলার নয়। ছাত্রলীগ রাজপথে থেকে আন্দোলন করার কারণেই নেত্রীর দ্রুত মুক্তি সম্ভব হয়েছিল।

সম্প্রতি বিভিন্ন গুপ্তহত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাব দিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আলমগীর সাহেব, সরকার সন্ত্রাসী ধরতে অভিযান চালাচ্ছে। সেই সন্ত্রাসীরা যদি আপনার দলের থাকে, সেই সন্ত্রাসী যদি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হয়, তাহলে কাউকে ছাড়া দেওয়া হবে না।’

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। তারা বিভিন্ন জঙ্গিসংগঠনের পৃষ্ঠপোষক। তাই দেশব্যাপী যে সন্ত্রাস দমনের অভিযান চলছে, তাতে এর সঙ্গে জড়িত কেউ রেহাই পাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, কৃষি, খাদ্য, বিদ্যুৎসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের এই উন্নয়ন আগে কল্পনাও করা সম্ভব হয়নি।

ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা কখনো কোনো বাধাকে ভয় পাননি। তিনি ফিনিক্স পাখির মতো। ফিনিক্স পাখি যেমন সূর্যের আলোতে একটু সময়ের জন্য হারিয়ে যায় কিন্তু আবার আকাশে ডানা মেলে উড়ে বেড়ায়, নেত্রীও ঠিক তেমনি। ছাত্রলীগ শেখ হাসিনার পাশে সব সময় ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করেছে এবং আগামীতেও করবে বলে জানান তিনি।

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেনের পরিচালনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার রোটন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি শেখ সোহেল রানা টিপু, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ সাকিব বাদশা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স, কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি সাবিনা আক্তার শিউলি, আরিফুর রহমান লিমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ ফয়সাল, দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার শাহজাদা, গণযোগাযোগ সম্পাদক ফরহাদুজ্জামান মনির, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক রাকিব হোসেন, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক সাগর হোসেন সোহাগ, স্কুলছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি হাসানুর রহমান হাসু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদ খান শাওন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান উজ্জ্বল, মাহবুবুল হাসান বকুল, সমাজসেবা সম্পাদক দিপু রায়, উপগণযোগাযোগ সম্পাদক নাসিম নয়ন, উপমুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক মাসুদ স্বপ্নিল প্রমুখ।