মেইন ম্যেনু

বাণিজ্য ও পর্যটন মেলা শুরু

বাণিজ্য, নিত্য প্রয়োজনীয় ও ভোগ্য পণ্য এবং পর্যটন সেবা নিয়ে শুরু হয়েছে ‘নবম এশীয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পর্যটন মেলা ২০১৫’।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে পাঁচ দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম।

প্রদর্শনীর আয়োজক সেমস গ্লোবাল। প্রবেশ ফি ৩০ টাকা। মেলার সময় সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।

মেলায় অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশসহ ১০টি দেশ। অন্য দেশগুলো হচ্ছে- ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, সিঙ্গাপুর, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভুটান, মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনাম।

এসব দেশের ১০০টি প্রতিষ্ঠান প্রতিদিন ইলেকট্রনিক্স, যোগাযোগ প্রযুক্তি, খাদ্য ও পানীয়, স্বাস্থ্য সেবা পণ্য, প্রসাধনী, গৃহসামগ্রী, ফ্যাশন, কারু ও হস্তশিল্প প্রদর্শন করবে।

আয়োজক সংগঠন জানায়, এশীয় আন্তর্জাতিক ‘বাণিজ্য ও পর্যটন মেলা’ নামের এ সিরিজ মেলা এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আয়োজন করা হয়ে থাকে। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে- এশিয়া অঞ্চলের ভেতরে কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে উন্নয়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর জন্য একটি চালিকাশক্তি এবং উৎপাদনকারীদের জন্য একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করা।

মেলায় বড় আকর্ষন হিসেবে থাকছে লোকজ উৎসব। এছাড়া রয়েছে পুতুল নাচ, পিঠা, বায়োস্কোপ, ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও খাবার, কারুপণ্য এবং আদিবাসী জীবনধারার উপকরণ।

এইচটি ইমাম বলেন, পণ্যের প্রদর্শনী শুধু দেখার জন্যই না। এখান থেকে দর্শনার্থীরা পণ্য সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানতে পারবে। উৎপাদনকারীরা তাদের পণ্য বিস্তৃত করার সুযোগ পাবেন। বিভিন্ন মেলায় পণ্য প্রদর্শনীর ফলে বাংলাদেশে পণ্যের বিস্তৃতি বিশ্বব্যাপী।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে অনেক আকর্ষনীয় জায়গা রয়েছে। যেখানে পযটকেরা ঘুরে দেখতে পারেন। উদারহণ হিসেবে তিনি চট্রগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেটের কথা বলেন।

প্রদর্শনীর স্থানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, অবকাঠামোর উন্নয়নের ফলে আমরা নতুন নতুন জুপিটার হল পাচ্ছি, প্রদর্শনীর জায়গা পাচ্ছি। এতে দর্শনার্থীরা অবাধ বিচরণের সুযোগ পাবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মাতলুব আহমাদ বলেন, অনেক সময় পণ্য আমদানি ও রপ্তানিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় ব্যবসায়ীদের। ফলে ব্যবসায়ীরা বিমুখ হন। এই সমস্যা সমাধানে এফবিসিসিআইসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে। তবে এখানে সরকারের ভূমিকাই মূখ্য।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ুন রশিদ, পি. এইচ. ডি. চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সহসভাপতি গোপাল এস জিয়োরাজকা, গ্লোবাল ইউ. এস. এ. এবং এশিয়া প্যাসিফিকের সভাপতি মেহেরুন এন. ইসলাম।