মেইন ম্যেনু

বাণিজ্য বাড়াতে চীনা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ১৯ চুক্তি

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য বাড়াতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ১৯টি চুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ে চীনের ১৫টি কোম্পানির সঙ্গে এসব চুক্তি অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তির আর্থিক পরিমাণ হবে ১ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার।

শুক্রবার রাজধানীর হোটেলে সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চায়না বিজনেস ফোরামের যৌথ বৈঠকে এসব চুক্তি সই হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসার ভালো পরিবেশ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন চীনের ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে তৈরি পোশাক, ওষুধ, সিরামিক ও লেদার খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনার বিষয়টি তুলে ধরেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতারা।

ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি) যৌথভাবে এ বৈঠকের আয়োজন করে। এ বৈঠকে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে মত বিনিময় করেছেন।

বৈঠকে এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মাতলুব বলেন, যদিও আমাদের মধ্যে ১৯টি চুক্তি সই হয়েছে। তারপরও আশা করছি, পরবর্তীতে এ সংখ্যা বেড়ে ৫০টির মতো হতে পারে। চীনের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে নিশ্চই লাভবান হবেন। আমরা আশাবাদী, যদি উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে ৫০টি চুক্তি সই হয় তাহলে তার পরিমাণ কয়েক বিলিয়ন ডলার দাঁড়াবে। এছাড়া, সরকারি উদ্যোগেতো আলাদা চুক্তি হচ্ছেই।

সিসিপিআইটির ভাইস চেয়ারম্যান চ্যান ঝহু বলেছেন, ‘অবকাঠামোগত উন্নয়নে বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশে বিনিয়োগ ব্যাংকের মধ্যেই রয়েছে। আমরা আস্থা নিয়ে এদেশের বিনিয়োগ পার্কে বিনিয়োগ করবো। আমাদেরই এই প্রতিনিধি দলে অনেক উদ্যোক্তা রয়েছেন। যারা এদেশে বিনিয়োগ করতে চান।’

তিনি আরো বলেন, ‘চামড়া, অবকাঠামো, তৈরি পোশাক, ওষুধ, অটোমোবাইলসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের কথা আমরা চিন্তা করছি। চীনের অর্থায়নে বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্য চীনে রফতানি করে দু‘দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৈষম্য দূর করা সম্ভব হবে।’

এছাড়া বৈঠকে সিসিপিআইটির ভাইস চেয়ারম্যান চ্যান ঝউ, ইনসেপ্টা ফার্মাসিটিক্যালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবদুল মোকতাদির, অ্যাপিলিয়ন গ্রুপের রেজাউল কবির এবং চীনের পক্ষ থেকে চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশনের প্রেসিডেন্ট ওয়াং জু শেং, টিবিয়ান ইলেকট্রিক অ্যাপারেটর কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ঝাওয়াংশি বক্তব্য রাখেন।