মেইন ম্যেনু

বান্দরবানের গভীর জঙ্গলে শুটিং করলেন আরিফিন শুভ

ছয়দিনের শুটিং শেষে গত রোববার ঢাকায় ফিরেছে দিপঙ্কর দীপন পরিচালিত ছবি ‘ঢাকা অ্যাটাক’-এর পুরো ইউনিট। এই কদিন পুরো ইউনিট বান্দরবানের গহিন জঙ্গলে ব্যস্ত ছিল শুটিংয়ের কাজে। বান্দরবানে জঙ্গি আস্তানায় পুলিশি অভিযান পরিচালনার একটি দৃশ্যের শুটিং করা হয়। এই শুটিংয়ে অংশ নেন আরিফিন শুভ, মাহি, এ বি এম সুমনসহ পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা।

আরিফিন শুভ শুটিং সম্পর্কে এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘এই ছয়দিন শুটিং করে প্রচণ্ড ক্লান্ত। এরপরও মানসিকভাবে তৃপ্ত, কারণ দর্শক একেবারেই নতুন কিছু জায়গা দেখতে পাবে। বাংলাদেশে যে এত সুন্দর জায়গা আছে সেটাও অনেকে জানে না। যাঁরা বান্দরবান আসেন, তাঁরা নীলগিরি পর্যন্ত যেতে পারেন। কিন্তু আমরা সেখান থেকে আরো ভেতরের দিকে গিয়েছিলাম। অনেকটা পথ হেঁটে লোকেশনে পৌঁছাতে হয়েছে। সেখানে সাপের ভয় ছিল, কিন্তু কোনো কিছুতেই আমরা পিছপা হইনি।’

ক্লান্তিকর শুটিং সম্পর্কে শুভ আরো যোগ করেন, ‘পাহাড়ের চূড়ায় একটি জঙ্গি আস্তানায় পুলিশি অভিযানের দৃশ্য চিত্রায়ন করা হয়েছে। সেখানে আমাদের ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পায়ে হেঁটে উঠতে হয়েছে। অনেক সময় দড়ি বেয়েও ওপরে উঠেছি। এখানে কোনো ডামি ব্যবহার না করে নিজেই সব কাজ করেছি। এমন অনেক কাজ করতে হয়েছে যেগুলো টেকনিক্যাল সাপোর্ট ছাড়া কেউ করতে পারবে না, কিন্তু আমরা করেছি; যা দর্শক পর্দায় দেখতে পাবে।’

এত গভীর জঙ্গলে কেন শুটিং করতে হয়েছে জানতে চাইলে পরিচালক দিপঙ্কর দীপন বলেন, ‘আমাদের গল্পের প্রয়োজনেই আসলে এ ধরনের লোকেশন দরকার ছিল। গল্পে আছে, পাহাড়ের চূড়ায় একটি জঙ্গি আস্তানা থেকে অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা হচ্ছে। তাই পুলিশ বিশেষ অভিযান চালায় এই আস্তানায়। আমরা এমন একটা লোকেশন চাইছিলাম, যেখানে কোনো বিদ্যুতের তার দেখা যাবে না। কোনো টাওয়ার দেখা যাবে না। আবার পাহাড়ের চূড়ায় একটি বাড়ি দরকার ছিল, যার আশপাশে আর কোনো কিছু থাকবে না। আবার একটা ঝরনাও পেয়েছি সেখানে, ওটার পাশে কিছু চেজিংয়ের শুট করেছি। আমার মনে হয় ছবির অ্যারেজমেন্ট বা লোকেশনের ভেরিয়েশন পাবে দর্শক। সে জন্যই গভীর জঙ্গলে আমাদের যেতে হয়েছে।’

‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবিতে আরিফিন শুভ ও মাহিয়া মাহি ছাড়াও আরো রয়েছেন শতাব্দী ওয়াদুদ ও নওশাবা। ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা ও অপরাধ (তথ্য) বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার সানী সানোয়ারের গল্পে তৈরি হচ্ছে নাটকটি। নির্মাতা দিপঙ্কর দীপনের এটিই প্রথম চলচ্চিত্র।