মেইন ম্যেনু

বান্দরবানের লামায় রাস্তার উপরে অবৈধ স্থাপনা, দোকান উচ্ছেদ অভিযান

৬ জানুয়ারী বান্দরবানের লামা পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়রের নির্দেশে লামা বাজারের সরকারী রাস্তার উপরে ও দুই পার্শ্বে অবৈধ স্থাপনা দোকান উচ্ছেদের অভিযান চলছে। দীর্ঘদিন থেকে লামা বাজারের কিছু অসাধু ক্ষুদে ব্যবসায়ী প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে বাজারের ওলিগলিতে মাছ দোকান, পান দোকান, তরকারী দোকান, কাপড় দোকান, জুতা দোকান ও অন্যান্য ক্ষুদে ব্যবসায়ীরা দোকান পেতে বসেছে।

বিগত দিলে লামা পৌরসভা প্রশাসনে যারা ছিলেন তারা বার বার অবৈধ দোকান পাট উচ্ছেদ করতে নির্দেশ দিলেও ঐ নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে আইন অমান্য করে ক্ষুদে ব্যবসায়ীরা দোকানদারী করে আসছে। এই সকল অবৈধ দোকানের কারণে রাস্তায় গাড়ী চলাচলের চরম অসুবিধা হচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে এবং সড়ক দূর্ঘটনা দিন দিন বেড়ে চলছে। ৩০ ডিসেম্বর লামা পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।

নির্বাচনের পূর্বে ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পান, ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জনাব আলী আহমদ। তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই ৬ জানুয়ারী/২০১৬ লামা বাজারের অবৈধ স্থাপনা ও ক্ষুদে দোকানপাট উচ্ছেদের অভিযান শুরু করেন। উচ্ছেদের নির্দেশ পাওয়ার সাথে সাথে পৌরসভার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন পুলিশকে সাথে নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করলে, রাস্তার দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা সহ সব ক্ষুদে দোকান মালিকগন দোকান অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য হন।

কিন্তু জনমনে প্রশ্ন জাগল এই অভিযান কতক্ষণ স্থায়ী থাকবে। এই দিকে সাধারণ জনগন বলেন, অবৈধ ক্ষুদে গরীব ব্যবস্থায়ীরা পেটের দায়ে রাস্তার উপরে ও দুই পার্শ্বে রিযিকের সন্ধানে বসেছে। লামা পৌরসভার প্রশাসন কর্তৃক সরকারী ভাবে ক্ষুদে ব্যবসায়ীদের দোকানের ব্যবস্থা করে দিলে বাজারের ভিতরে গাড়ী চলাচল সহ যাবতীয় সমস্য সমাধান হবে বলে আশা করা যায়।

এদিকে ভারপ্রাপ্ত মেয়র আলী আহমদ বলেন, লামা বাজারের বিভিন্ন গল্লিতে রাস্তার উপরে ক্ষুদে ব্যবসায়ীদের দোকান নির্মাণ করায় জনগনের চলাচল ও গাড়ী চলাচলের অসুবিধা হয় এবং দূর্ঘটনার ঝুঁকি আছে বিধায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করি। এছাড়া জনগনের সার্বিক সুবিধার জন্যই আমি এই অভিযান পরিচালনা করি।