মেইন ম্যেনু

বান্দরবানে ‘অপহৃত’ অনিক, মুন্নার খোঁজ মেলেনি দেড় মাসেও

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, অপহৃতদের স্বজন- কেউ নিশ্চিত নন কী ঘটেছে এই দুই তরুণের ভাগ্যে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, গত ৩ অক্টোবর বিকাল ৩টায় বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ফাররুয়া ইউনিয়নের বড়থলি গ্রামের নতুন পুকুর এলাকা থেকে ঢাকার মিরপুরের ব্যবসায়ী জাকির হোসেন মুন্না, ছাত্র আবদুল্লাহ জুবায়েরসহ ছয়জনকে অপহরণ করে ‘সশস্ত্র একটি দল’।

অপহৃতদের মধ্যে ছিলেন স্থানীয় দুই গাইড মানছাই ম্রো ও লাল রিং ছাং বম এবং স্থানীয় বাসিন্দা অভিরাং ত্রিপুরা ও মনীন্দ্র ত্রিপুরা। এদের মধ্যে অভিরাং ও মনীন্দ্রকে ওই রাতেই ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা।

অপহৃত জুবায়েরের ফুফাত ভাই এম নাওয়াদ আশেকিন জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে ছয়জনের একটি দল নিয়ে তারা বান্দরবানে যান।

৫ অক্টোবর জুবায়ের ও মুন্নার অপহৃত হওয়ার খবর পান তারা।

“দলের অন্য সদস্যরা জানিয়েছে, শিপ্রু পাড়া থেকে সাতজন অস্ত্রধারী, যাদের দুইজন ইউনিফর্ম পড়া ছিল, ওদের ধরে নিয়ে যায়। সেসময় তারা (অস্ত্রধারীরা) রাখাইন ভাষায় কথা বলছিল। এ কারণে ধারণা করা হচ্ছে তারা মিয়ানমারের কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী দল হতে পারে।”

অপহরণের উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয় জানিয়ে নাওয়াদ বলেন, “বিচ্ছিন্ন কিছু সূত্র থেকে জানা গেছে, আরাকান লিবারেশন আর্মি নামে একটি স্শস্ত্র দল তাদের অপহরণের পর ভারতের মিজোরাম রাজ্যে নিয়ে গেছে। পুরো বিষয়টি কনফিউজিং, প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কিছু জানানো হচ্ছে না।”

তবে সীমান্ত এলাকায় কয়েক দফা অভিযান চালিয়েও অপহৃতদের হদিস বের করা যায়নি বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর বান্দরবানের আঞ্চলিক অধিনায়ক নাকিব আহমেদ চৌধুরী।

“আমরা আসলেই জানি না তারা কোথায় আছেন, কেমন আছেন। বলার মতো কোনো আপডেট আমার কাছে নেই।”

জুবায়েরের বাবা আব্দুর রব খান বলেন, “তাদের কোনো ট্রেস নেই। আমার ছেলে কোথায় আছে, কেমন আছে কোনো তথ্যই আমার কাছে নেই।”