মেইন ম্যেনু

বান্দরবানে যৌথবাহিনী-সন্ত্রাসী গোলাগুলি, গ্রামপুলিশ নিহত

বান্দরবানের রুমায় যৌথবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলির ঘটনায় গ্রামপুলিশের উপজাতীয় এক সদস্য নিহত হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হয়েছে দুই সেনা সদস্য।

রোববার দুপুর ১২টা থেকে রুমা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা চলে।

নিহতদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তবে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রুমা-১২ বেঙ্গলের স্টাফ অফিসার লে. রাফি।

লে. রাফি জানান, দুপুর ১২টা থেকে রুমার সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যৌথবাহিনীর গোলাগুলি হয়। এসময় বান্দরবান সদর থেকে ঘটনাস্থলে হেলিকপ্টারে দফায় দফায় সেনা সদস্য পাঠানো হয়।

বিজিবি সূত্রমতে, রুমা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় অপহরণের শিকার পর্যটকদের উদ্ধারে অভিযান চালানোর সময় সন্ত্রাসীরা যৌথবাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি গুলিবর্ষণ করে। এসময় আত্মরক্ষায় যৌথবাহিনীর সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়।

উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে বান্দরবানের রুমা উপজেলার পর্যটন স্পট বগালেকের উদ্দেশ্য পাঁচ পর্যটক বেড়াতে গিয়ে দুইজন অপহরণের শিকার হয়েছেন। এর হলেন- জাকির হোসেন মুন্না (৩৪) ও আব্দুল আল জুবায়ের (২৬)। তারা গাইডসহ পাচিংপাড়া থেকে রাঙামাটির বিলাইছড়ি যাওয়ার পথিমথ্যে অপহরণের শিকার হন। এসময় সেনাবাহিনীর পোশাক পরা একদল সশস্ত্র উপজাতি গাইডসহ তাদের চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত তাদের সন্ধান মেলেনি।

যৌথবাহিনী-সন্ত্রাসী গোলাগুলি, ২ সেনা সদস্য গুলিবিদ্ধ
বান্দরবানের রুমা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় যৌথবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি চলছে। এ সময় দুই সেনা সদস্য ও এক আনসার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

রোববার দুপুর ১২টা থেকে রুমা উপজেলার তাজিংডং-সেপ্রু পাড়ার দিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় গোলাগুলি শুরু হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রুমা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় অপহৃত পর্যটকদের উদ্ধারের অভিযান চালানোর সময় সন্ত্রাসীরা যৌথবাহিনীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় যৌথবাহিনীও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় দুই সেনা সদস্য ও এক আনসার সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। সন্ত্রাসীদের কেই হতাহত হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি।

খরব পেয়ে বান্দরবান সেনানীবাস থেকে গুলিবিদ্ধ সেনা ও আনসার সদস্যকে হেলিকপ্টারে নিয়ে এসে জেলা সদরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তখন পর্যন্ত গোলাগুলি চলছিল।

এ ব্যাপারে রুমা ১২ বেঙ্গলের স্টাফ কর্মকর্তা লে. রাফি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘রোববার দুপুর থেকে রুমা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যৌথবাহিনীর গোলাগুলি চলছে। আহত দুই্ সেনা সদস্য ও আনসার সদস্যকে দ্রুত এনে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে বান্দরবানের রুমা উপজেলার পর্যটন স্পট বগালেকের উদ্দেশ্যে ৫ পর্যটক গাইড নিয়ে বেড়াতে যান। বান্দরবানের রুমা উপজেলার কেউক্রাডং এর পাশে পাচিং পাড়ায় অবস্থানের পরে ৩ পর্যটক পাচিং পাড়ায় থেকে যান। বাকি ২পর্যটক জাকির হোসেন মুন্না (৩৪) এবং আব্দুল আল জুবায়ের (২৬) গাইডসহ পাচিং পাড়া থেকে রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখান থেকে তারা দু’জন স্থানীয় গাইডকে নিয়ে সেপ্রু পাড়া পুকুরপাড় হয়ে পাহাড়ী সড়ক দিয়ে রাঙ্গামাটি বিলাইছড়ির দিকে চলে যান। এ সময় রাস্তায় আর্মির আদলে পোষাক পরিহিত একদল উপজাতী স্বসস্ত্র বাহিনী গাইডসহ তাদের দুই জনকে চোখ বেধে একটি ঝিড়ি দিয়ে ভারতের মিজুরামের দিকে নিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত তাদের কোনো খোঁজ খবর পাওয়া যায়নি।