মেইন ম্যেনু

বালিয়াকান্দিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে কেচো কম্পোস্ট সার তৈরী শুরু

মাটির উর্বরতা রক্ষায় চাষাবাদে রাসায়নিক সারের আগ্রাসের শিকার কৃষকরা। কৃষিতে এই রাসায়নিক আগ্রাসনের কারনে মানবদেহের সমস্যার বহুমাত্রিকতা দেখা দিচ্ছে। অন্যদিকে জমির উর্বরতা শক্তি যেমন হ্রাস পাচ্ছে, তেমনি জমির জৈব পদার্থের পরিমান হ্রাস পেয়ে মাত্র এক ভাগে নেমে এসেছে। মাটিতে জৈব পদার্থের উপস্থিতি ছাড়া শুধুমাত্র রাসায়নিক সার প্রয়োগের দ্বারা কাঙ্খিত ফলাফল পেলেও ক্ষনিকের জন্য মানসম্পন্ন ফলন পাওয়া অসম্ভব নয়। ক্রমাগত রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে মাটিতে অবক্ষয় ঘঠছে । আধিক মাত্রায় সার ব্যবহার করেছে কৃষক ফসলের। আশায় অদুর ভবিষ্যতে এই ফলন পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে।

কৃষক বাঁচাও ,দেশ বাঁচাও মাটির উর্ব্বর শক্তি রক্ষার্থে জৈব সার ব্যবহার উপস্থিতি বাড়ানো জরুরী এ সময়ের দাবী সচেতন কৃষকদের। এ লক্ষ্য নিয়ে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে পল্লী বন্ধু সংস্থা (আরএফএস) দীর্ঘদিন যাবৎ কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধকরণ করে আসছিল। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় শুক্রবার সকালে বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের দিলালপুর গ্রামের গো-খামারী শিউলী মোদকের বাড়ীতে কেচো কম্পোস্ট সার উৎপাদনের লক্ষে আনুষ্ঠানিক ভাবে কাজ শুরু করেছেন। তিনটি হাউজে সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড থেকে আমদানীকৃত উন্নত মানের কেচো ফেলে উদ্বোধন করা হয়।

এসময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা গোলাম ছামদানী, পল্লী বন্ধু সংস্থার পরিচালক রুহুল আমিন বুলু, বালিয়াকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক সোহেল রানা,বিএফএফ এর সাগর, গো-খামারী শিউলী মোদক প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কৃষকের কাছে জ্ঞান আছে, আর এই জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহারে মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য নিরাপত্তার লক্ষ্যে জৈব কৃষিতে রুপান্তিত করা দীর্ঘ দিন যাবত কৃষকের চাহিদা পৃরনের জন্য আর এফ এস সংস্থা বীজ, জৈব সার উৎপাদন ও ব্যবহার বিষয়ক কৃষকদের কে প্রশিক্ষন প্রদান করেন। বর্তমানে জৈব সার উৎপাদন শুরু করেছে। এ জৈব সার মাটিকে সুষ্ট ও সবল এবং চাষ উপযোগী রাখে। মাটির পানি ধারন ক্ষমতা বৃদ্বি করে। জৈব সার ফসলের উৎপাদন মাত্রা বৃদ্ধি করে। মাটিতে ১৬ মাসব্যাপী এর প্রভাব থাকতে পারে,মাটির বাসায়নিক আগ্রাসেন কারনে উবর্রশক্তি প্রতিনিয়ত কমছে। কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের অধিক ব্যবহার জনিত কারনে সৃষ্ট বিষাক্ততা কমাতে সহয়তা করে জৈব সার ।

পল্লী বন্ধু সংস্থার পরিচালক রুহুল আমিন বুলু জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি কোচো কম্পোস্ট তৈরীর জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। আজ তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের দিকে যাচ্ছে। তিনি বালিয়াকান্দি উপজেলাতে জৈব সারের আওতায় আনার জন্য সর্বাত্বক চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।