মেইন ম্যেনু

বাসর ঘরের বদলে জেলখানায় বর

নতুন বউ নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজ বাড়ি যাবে বর এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাধ সাধলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। বাল্যবিয়ের অভিযোগে বর মাজেদুল হককে নববধূর সঙ্গে বাসরঘরের পরিবর্তে থাকতে হচ্ছে করাগারে।

শুক্রবার বিকেলে লোহাগড়া উপজেলার কোলা গ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা বর মাজেদুল হককে সাত দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া নববধূ হাবিবা খানম ওরফে মিমের (১৩) বাবা খোকন সরদার ও নিকাহ রেজিস্ট্রার আবুল খায়েরকেও সাত দিনের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, সদর উপজেলার ভবানিপুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে মাজেদুল হকের সঙ্গে লোহাগড়া উপজেলার খোকন সরদারের মেয়ে মিমকে বিয়ে দেয়ার জন্য হাবিবা খানম নামকরণ করে জন্মনিবন্ধনে বয়স বেশি দেখানো হয়। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানতে পেরে বর, মেয়ের বাবা ও নিকাহ রেজিস্ট্রারকে সাত দিনের কারাদণ্ড দেন।

এদিকে, একই দিনে লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর এসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী কাশিপুর গ্রামের আতিয়ার রহমানের মেয়ে মুসলিমা এবং নলদী ইউনিয়নের জালালসী-নোয়াপাড়া দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী নোয়াপাড়া গ্রামের নিজাম শেখের মেয়ে ইতি খানমের বিয়ের আয়োজন করা হয়। সংবাদ পেয়ে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা বিয়ে বন্ধে দুই পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা নেন।

এর আগে, গত ২৯ জানুয়ারি লোহাগড়ার ইতনা ও ডিগ্রিরচরে তিনটি বাল্যবিয়ে বন্ধসহ জরিমানা করেন তিনি।