মেইন ম্যেনু

বাস-রেল ফাঁকা, যাত্রী পেলেই ছাড়ছে লঞ্চ

বাস ও রেল স্টেশনে এখন ভিন্ন চিত্র। গতকাল বৃহস্পতিবারও ছিল ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভির। শুক্রবার ঈদের দিন দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। বিগত ঈদের দিনগুলোতে লঞ্চ ও ট্রেন স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা গেলেও এবার একেবারেই ভিন্ন চিত্র।

সকাল থেকে ১টা পর্যন্ত এসব টার্মিনালে কোনো যাত্রী দেখা যায়নি। শুক্রবার কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে আন্তঃনগর ট্রেন ছেড়ে যায়নি। শুধু ঈদ উপলক্ষে সোলাকিয়া স্পেশাল নামে ২টি স্পেশাল সার্ভিস চলাচল করেছে। এ স্পেশাল ট্রেনটি ভৈরব-কিশোরগঞ্জ-ভৈরব এবং অপরটি ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ চলাচল করেছে। এছাড়া কোনো ট্রেন কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়নি। যেন কমলাপুর স্টেশনে এক ভিন্ন চিত্র বিরাজ করছে।

ঈদের নামাজের পর গাবতলী, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে আন্তঃজেলা রুটে বাস চলাচল করেছে। তবে তেমন যাত্রী ছিল না বাস টার্মিনালগুলোতে। তবে ভাড়া বেশি নেয়ার অভিযোগ এখনো আছে। অবশ্য কিছু যাত্রীকে বাড়ি যাওয়ার জন্য সদরঘাটে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

সদরঘাটে অপেক্ষারত পিরোজপুরের ভান্ডারিয়াগামী যাত্রী রমজান আলী বলেন, ‘ভাই আমি সাইন্সল্যাবে একটি পাঞ্জাবির দোকানে কাজ করি। কাল রাত প্রায় ১টার দিকে মালিক বেচা বিক্রি বন্ধ করে আমাদের ছুটি দিয়েছে। এতো রাতে তো আর বাড়ি যেতে পারি না, তাই এখন লঞ্চ ঘাটে এসে বসে রয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘লঞ্চ কখন ছাড়ে বলতে পারছি না। প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে এখানে বসা। লঞ্চের কর্মচারীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেছে, যাত্রী বোঝাই হলেই লঞ্চ ছেড়ে দেয়া হবে।’

বিআইডব্লিউটিএ’র সদরঘাটের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক জয়নাল আবেদিন জানান, সকাল ৭টা, ৮টা এবং দুপুর ১২টায় চাঁদপুরগামী তিনটি লঞ্চ ছেড়ে গেছে।

মনিংসান-৯ লঞ্চের কর্মচারী তাহের জানান, দিনের বেলাও সদরঘাট থেকে দুই তিনটি লঞ্চ ছেড়েছে। তবে নির্ধারিত সিডিউল নয়; যাত্রী ভর্তি হওয়ায় গন্তব্যে ছেড়ে গেছে সেগুলো। আমাদের লঞ্চে যাত্রী হলেই লঞ্চ ছেড়ে যাবে।



« (পূর্বের সংবাদ)