মেইন ম্যেনু

ব্যস্ত দোকানদার

বাহারি সাজে ইফতারের দোকান

রমজানের প্রথম দিনে নগরীর ইফতার দোকান গুলোতে ব্যস্ত সময় দোকান মালিকরা। বিভিন্ন ধরনের বাহরি ইফতারের জিনিসপত্র নিয়ে বসে রয়েছে তার। রমজানের প্রথম দিনে ইফতারের দোকান গুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভির দেখা গেছে।

দোকান মালিকরা জানায়, আসরের নামজের পরে ক্রেতারা ইফতার কিনেতে আসে ক্রেতারা। তখন থেকে ইফতারের পূর্ব সময় পর্যন্ত সোমান তালে চলে বেচা বিক্রি।

এবার ইফতারিতে বরাবরের মত রয়েছে, পেয়াজি, বেগুনি, জিলাপি, খেজুর, ছোলা, মুড়ি, কলা, বুন্দিয়া, নিমকি, চিড়া ছাড়াও নানা ধরনেন ইফতারের প্যর্ণ নিয়ে দোকান সাজিয়েছেন তারা।

ইফতারের জন্য জিলাপি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, পেয়াজি বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৫ টাকা প্রতি পিস, বেগুনু বিক্রি হচ্ছে ৩ থেকে ৫ টাকা প্রতি পিস, ছোলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, খেজুর ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, মড়ি ৫৬ টাকা, বুন্দিয়া ৮০ টাকা, নিমুক ১০০ টাকা, চিড়া ২০০ টাকা, আলুর বকলা ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে কলা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা হালি দরে।

শুধু পিয়াজি জিলাপি বা বেগুনি নয় ইফতরের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে আখের রস। ক্রেতারা বলছে, যেহেতু গরমের সময় তাই আখের রস খেলে একটু সস্তি পাওয়া যাবে। তার পরে সারা দিনের ক্লিন্তি দুর করার জন্য এর জুড়ি নেই। এর পাশা পাশি রয়েছে হালিম, গরুর মাংশের বিরিয়ানী, খাসির মাংশের বিরিয়ানী ইফতারের যায়গা করে নিয়েছে।

ইফতার ক্রেতা হারুনুর রশিদ নাহিদ জানান, ১২ মাসের পরে এক মাসের জন্য আসে এই রমজান মাস। সারা দিন না খেয়ে থাকার পরে একটু ভাড়া পোড়া খেতে ইচ্ছে করে। এসময় যে গুলো পাওয়া যায় অন্য সময় তো আর সেগুলো পাওয়া যায় না।

তাছাড়া ইফতারের জন্য মোটামোটি সব কিছুর দাম কম থাকলেও বেগুনির দামটা বেশি। গত বছরের বেগুনি কেজি হিসেবে বিক্রি হয়। কিন্তু এবছর বেগুনের দাম বেশি তাই ৩ থেকে ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

নগরীর সাধুর মোড়ের সবুজ বাংলা ইফতারের দোকান মালিক মোস্তাফা জানায়, রমজান মাস ১২ মাস পরে এক মাসের জন্য আসে। এবার রমজান উপলক্ষে ইফতারের জিসিনপত্রের দাম তেমন বেশি না। তবে বেগুনের দাম বেশি থাকার কারণে বেগুনি প্রতি পিস হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।

এখানে দুপুরের পর থেকে ইফতারের জিনিসপত্র তৈরীর জন্য কারিগররা কাজ শুরু করে। আসরের নামাজের পর থেকে বেচা বিক্রি শুর করা হয়।