মেইন ম্যেনু

বায়ার্নকে হারিয়ে এক ধাপ এগিয়ে অ্যাটলেটিকো

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে মুখোমুখি হয়েছে ইউরোপের অন্যতম দুই সেরা প্রতিপক্ষ অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও বায়ার্ন মিউনিখ। বুধবার রাতে এস্তাদিও ভিসেন্তে ক্যালদেরনের ওই ম্যাচে বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়ন বায়ার্নকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালের দৌড়ে এগিয়ে রইল ডিয়েগো সিমিয়োনোর দল।

ম্যাচটি অ্যাটলেটিকোর ঘরের মাঠে হলেও বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল বায়ার্ন মিউনিখ। প্রায় ৭৩ শতাংশ বলের দখল নিজেদের কাছে রেখেছিল বাভারিয়ানরা। কিন্তু বল দখলে রাখলেও শেষপর্যন্ত হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে পেপ গার্দিওলার প্রশিক্ষিত দলটিকে।

চেনা মাঠে ম্যাচের ১১ মিনিটেই শক্তিশালী বায়ার্নের বিপক্ষে লিড নেয় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। ফার্নান্দেজের কাছ থেকে বল পেয়ে বায়ার্নের ডি-বক্সে প্রবেশ করেন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার সাউল নিগুয়েজ। প্রতিপক্ষের একাধিক খেলোয়াড়কে বোকা বানিয়ে কোনাকুনি শটে বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার পরাস্ত করেন তিনি।

গোল হজমের পর আক্রমনে এগিয়ে থাকা বায়ার্নের ঠিক পরের মিনিটেই সমতায় ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ওই সময় চিলিয়ান তারকা আর্তোরু ভিদালের দারুণ একটি প্রচেষ্টা নষ্ট করে দেন স্বাগতিক ফুটবলার জিমিনেজ। ২৯ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করেন অ্যাটলেটিকোর অ্যান্তেনিও গ্রিজম্যান। কিন্তু গোলবারের উদ্দেশ্যে শট নিলেও তা রুখে দেন বায়ার্ন গোলরক্ষক নয়্যার।

প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে ধার বাড়িয়ে দেয় বায়ার্ন মিউনিখ। এই অর্ধে প্রায় পুরো সময় জুড়ে ম্যাচে আধিপত্য দেখালেও কাজের কাজ কিছুই করতে পারেনি বায়ার্ন। এ সময় বদলি হিসাবে রিবেরি-মুলার মাঠে নামেন, দলের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারেননি তারাও।

ম্যাচের ৭৫ মিনিটে আরও একটি গোলে পিছিয়ে যেতে পারতো বায়ার্ন শিবির। কিন্তু এবার গোলপোস্ট বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় কোনোমতে বেঁচে যায় অতিথিরা। তোরেসের বাঁকানো শট ফিরে আসে পোস্টে লেগে। ফিরতি বলে কোকে শট নিলেও তা তালুবন্দী করেন নয়্যার। শেষপর্যন্ত আর গোলের শোধ দিতে না পারায় ১-০ গোলের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে বায়ার্নকে।

সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে বায়ার্নের মাঠ অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনায় আগামী ৪ মে আতিথ্য নেবে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।