মেইন ম্যেনু

বিএনপি নয়, চ্যালেঞ্জ সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ

বিএনপির আন্দোলন নয়, সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ আওয়ামী লীগের সামনে এখন চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিতসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

১০ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আগামী ১১ জানুয়ারি বিকেলে সোহওয়ারর্দী উদ্যানে দলের আয়োজিত জনসভা সফল করতে ওই সভার আয়োজন করা হয়। জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন এখন আ.লীগের জন্য দুশ্চিতার কারণ নয়। কারণ, গত সাত বছরে প্রমাণ হয়েছে তারা আন্দোলনের সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। তাদের এখন আন্দোলন করার শক্তি নেই, সামর্থ্য নেই, সাহস নেই এবং জনসমর্থন নেই। কাজেই বিএনপি আন্দোলন করবে এমন দুশ্চিতা এখন আমাদের মাথায় নেই। সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ মোকাবেলাই হচ্ছে আমাদের চ্যালেঞ্জ। তা মোকাবেলা জন্য ১১ জানুয়ারি জনসভায় আমাদের অঙ্গীকার এবং শপথ নিতে হবে। আমাদের শপথ হলো উগ্রবাদ রুখতে আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলনের হাক-ডাক, আষাঢ়ের তর্জন-গর্জন সাড়। এ তর্জন-গর্জনে বাংলাদেশে এখন আর আন্দোলন করার কোনো পরিবেশ নেই। তাদের আন্দোলনে এখন মরা গাঙ্গে জোয়ার আসবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক উগ্র জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতা-কর্মীদের শপথ গ্রহণ করতে হবে।’

দেশের বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবীদের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘পুরো জাতি যখন বেগম খালেদা জিয়াকে পাকিস্তানের মুখপাত্র হিসেবে ধিক্কার জানাচ্ছে। তখন বিএনপি মার্কা কতিপয় বুদ্ধিজীবীর বেগম জিয়ার পক্ষে সাফাই গাওয়া জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাকর।’

কাদের বলেন, ‘আমাদের এখন কাজ হচ্ছে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো। আওয়ামী লীগের ক্ষতি যদি আওয়ামী লীগ না করতে পারে, তাহলে বাইরের কোনো শত্রু আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না। তাই আমাদের নেত্রী (শেখ হাসিনা) নেতৃত্বে যেকোন মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকবো।’

মহানগর আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এমএ আজিজের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, মহানগর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী প্রমুখ।