মেইন ম্যেনু

বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও বর্জনের মধ্য দিয়ে চলছে ভোট গ্রহণ

বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ও বর্জনের মধ্য দিয়ে চলছে তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। শনিবার ৬২০ ইউপিতে সকাল ৮টা থেকে এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেলে ৪টা পর্যন্ত।

ভোটগ্রহণের শুরুতে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জামালপুরের গাইবান্ধা ইউনিয়নের পোড়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় ৭ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৮ রাউন্ড গুলি ছুড়ে।

বেলা ১১টায় ফটিকছড়ি ইউনিয়নের সব কেন্দ্রে জোর করে ব্যালট পেপারে সিল মারার অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন বিএনপির প্রার্থী। এছাড়া ব্যালট পেপারে সিল মারাসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়নে বিএনপি মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থী এস এম আলমগীর হোসেন ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। ওই ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীকে ভোট দিতে বাধা দেয়ার অভিযোগে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থক খোকনকে আটক করেছে বিজিবি।

অন্যদিকে, নাটোর সদর উপজেলার ৫টি ইউপিতে ৫ বিএনপি প্রার্থী এবং হালসা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন । বেলা সাড়ে ১০টায় লক্ষ্মীপুর খোলাবাড়ীয়ায় বিএনপি মনোনীত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম, হালসায় ইব্রাহিম খলিল, ছাতনী ইউনিয়নে সুলতান আহমেদ, তেবাড়ীয়ায় গোলাম সারোয়ার, কাফুরিয়ায় খবির উদ্দিন শাহ এবং হালসায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম নির্বাচন বর্জনের এ ঘোষণা দেন।

অনিয়মের অভিযোগে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের সোনাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামগঞ্জের পূর্ব বিগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছে প্রশাসন। এছাড়া রায়পুর ও রামগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, এ ধাপের নির্বাচনে ১৪টি দলের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রয়েছেন ৬২০ ইউপিতে, বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন ৫৩৯ ইউপিতে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ২৫ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এসব ইউপি ছাড়া আরো ৫৬ ইউপিতে বিএনপির প্রার্থী নেই।