মেইন ম্যেনু

বিগ ব্যাশে নিষিদ্ধ ক্রিস গেইল!

নারী সাংবাদিকদের প্রতি গেইলের উত্তেজক কথাবার্তা চলছেই। যা নিয়ে সমালোচনায় মুখর গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। কিছুদিন বিগ ব্যাশে অস্ট্রেলিয়ান এক সাংবাদিকের পর আইপিএলে এবার তার শিকার ব্রিটিশ এক নারী সাংবাদিক। যেখানে অনেক বাজে ইঙ্গিতই দিয়েছেন তিনি। তবে এর চড়া মূল্যও হয়তো তাকে দিতে হবে। বিগ ব্যাশের আগামী মৌসুমে হয়তো দেখা যাবে না গেইলকে। গেইলের সঙ্গে পুনরায় চুক্তি করার ব্যাপারে অসম্মতি জানিয়েছে তার ক্লাব মেলবোর্ন রেনেগেডস। বলা চলে, বিগ ব্যাশে নিষিদ্ধই হচ্ছেন ক্যারিবীয়ন এই ব্যাটিং দানব।

মঙ্গলবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রেনেগেডসের প্রধান নির্বাহী স্টুয়ার্ট কভেন্ট্রি বলেছেন, ‘আমরা খুব শিগগিরই আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করবো এবং ক্রিস গেইল সেই পরিকল্পনার অংশ নয়।’ এমন বক্তব্যের অর্থ পরিস্কার। আগামী মৌসুমে রেনেগেডস গেইলকে ছাড়াই মাঠে নামবে। এর পেছনে কারণ কী, সেটা পরিষ্কার করে না বললেও, সবাই জানে কী হেতু।

রেনেগেডস পিছু হটা মানেই বাকি দলগুলোও মুখ ফিরিয়ে নেবে। গত মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার এক নারী সাংবাদিককে অভিসারে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়ে ফেসেছিলেন গেইল। পরে তার দল তাকে সতর্ক করে দেয়ার পাশাপাশি ১০ হাজার ডলার জরিমানাও করেন। তখনই অস্ট্রেলিয়ার সাবেক কিছু ক্রিকেটার গেইলকে বিগ ব্যাশে নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানান। এমনকি পৃথিবীর কোন ঘরোয়া টুর্নামেন্টেই যেন সে খেলতে না পারে, তাও বলেছিলেন তারা।

এবার চলমান আইপিএলে ব্রিটিশ এক সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে পুরোনো ইস্যু মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। যেখানে তিনি অনেক কথাই বলেছেন সেই সাংবাদিককে। যেখানে তিনি ঐ নারী সাংবাদিককে বলেছেন, ‘মেয়েদের প্রথম কাজ পুরুষকে সন্তুষ্ট করা’। আরও বলেছেন, ‘আমার ব্যাট অনেক বড়। যা তুলতে তোমার দুই হাতই লাগবে। আমি এতটাই সুপুরুষ যে আমাকে দেখলে মেয়েরা নিজেদের সামলাতে পারে না, ইত্যাদি’।

এসব নিয়ে সবাই যখন সমালোচনা মুখর। তখন গেইল তার জবাবও দিয়েছেন। টাইমসে প্রকাশিত নিজের আত্মজীবনীতে গেইল লেখেন, ‘এখন হলো টি২০র যুগ। এটা তো টেস্ট ক্রিকেট নয়। এ কারণে আনন্দ আর মজা করাটাই হলো আসল। সুতরাং, ভিন্ন কিছু করুন। কেউ যখন আমাকে এ নিয়ে প্রশ্ন করে, তখন আসলে আমি টি২০ মানসিকতাতেই থাকি এবং উত্তরটাও দিই সেভাবে।’