মেইন ম্যেনু

বিছানায় প্রস্রাব, মেয়েকে গলাটিপে হত্যা করলো মা!

মেয়ে বিছানায় প্রস্রাব করায় এই সেদিনই এক মা তার পালিত কন্যার যৌনাঙ্গে কাঁচালঙ্কা চিরে ঢুকিয়ে দেয়। আর এক অধৈর্য মা একই ‘অপরাধ’-এ দু-বছরের মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুনই করে ফেলেছেন!

অ্যাড্রিন উইলিয়ামস নামে বছর ছাব্বিশের ওই মহিলাকে গ্রেফতার করেছে উইলকিংসবার্গের পুলিশ।

পুলিশি জেরায় মেয়েকে খুন করার কথা স্বীকার করেন অ্যাড্রিন।

পুলিশকে তিনি জানান, প্রাকৃতিক ক্রিয়া সেরে, কীভাবে নিজেকে পরিষ্কার করতে হয়, মেয়েকে তা শেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু, বারবার বলা সত্ত্বেও মেয়ে কিছুতেই শিখছিল না। বিছানাও মাঝেমধ্যে ভিজিয়ে ফেলত।

যে কারণে রাগের মাথায় মেয়ের গলা টিপে ধরেছিলেন। তাতেই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায় অ্যাড্রিয়োনা।

সকালে কুকুর নিয়ে হাঁটতে বেরিয়ে, এক পথচারি প্রথম খেয়াল করেন একটি শিশুর নিষ্প্রাণ দেহ রাস্তায় পড়ে রয়েছে। তার কয়েক মিনিট আগে, থানায় গিয়ে নাটক করে মেয়ে নিখোঁজের ডায়েরিও করে আসেন এই মহিলা।

মেয়ের দেহ মেলার খবরে ফেসবুকে ন্যাকামি করে পোস্টও করেন। লেখেন, ‘আমার মেয়েকে ফিরিয়ে দাও প্লিজ। মামি লভস ইউ, মাই অ্যাঞ্জেল!’ ভেবেছিলেন এ ভাবে নাটক করে, পার পেয়ে যাবেন। কেউ তাকে সন্দেহও করবে না। কিন্তু, তার সেই অভিনয় বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মেয়েকে খুন করে ধরা পড়ে যান।

এই মহিলার বিরুদ্ধ মোট ন-পাতার অভিযোগ লিপিবদ্ধ হয়। আর মহিলাকেই সন্দেহের কারণ, শিশুটির দেহ উদ্ধার হয় তারই গাড়ির ভিতর থেকে। রাস্তায় থাকা একটি ভিডিওতে তার ছবি ধরা পড়ে।

যে কারণে, প্রথম থেকেই সন্দেহের চোখে ছিলেন ওই মহিলা। এমনকী মেডিক্যাল পরীক্ষাতেও জানা যায়, শ্বাসরোধ করেই বাচ্চা মেয়েটিকে মারা হয়েছে। কিন্তু, বাড়িতে ঠাকুমা, পিসি, দুই তুতো বোনা থাকা সত্ত্বেও, তারাও কেন খুনের কথা জানতে পারলেন না, তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ। মেয়েকে খুনের পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।