মেইন ম্যেনু

বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে হয়ে উঠুন আরো বেশি দক্ষ

হাতে অনেক কাজ? কোনটা করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না? সমস্যাটা কেবল আপনার একার নয়। এই ধরনের ঝামেলায় পড়তে হয় নিত্যদিন আপনি আমিসহ আরো অনেককেই। অনেক অনেক কাজের ভীড়ে একে তো কোন কাজই ঠিকমতন করা হয় না। তারওপর পুরো ব্যাপারটা গুবলেট করে দিয়ে যায় আমাদেরই করা কিছু কর্মকান্ড। চলুন দেখে আসি এমনই কিছু ব্যাপারকে যেগুলো বাদ দিতে পারলে খুব সহজেই নিজের কর্মদক্ষতা বাড়াতে পারবেন আপনি।

১. একসাথে সব কাজ করা অনেকসময় দেখবেন একজন মানুষ অফিসের এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে দৌড়ে বেড়াচ্ছে। না পাচ্ছে কোন কাজে ঠিকঠাকভাবে মন দেওয়ার সুযোগ, না একটু শান্তিতে নিঃশ্বাস ফেলার অবসর। কী ভাবছেন? একসাথে অনেক কাজ হাতে নেওয়া এই মানুষগুলোই আসলে সফল? তারাই বুঝি অনেককিছু করে ফেলতে পারছে তাড়াতাড়ি? একটু গভীরে তলিয়ে দেখলেই বুঝতে পারবেন যে, আসলে এরা কিন্তু মোটেও এগোতে পারছেনা। বরং সব কাজ করতে গিয়ে আটকে যাচ্ছে একটা জায়গাতেই। তাই একটা সময়ে কেবল একটা কাজই করতে চেষ্টা করুন। এটাতো সত্যি যে, একটা কাজে সফল হতে হলে অন্যগুলোকে তখনকার মতন না বলে দিতে হবে আপনার। তাই মনযোগ একদিকে রাখুন।

২. অন্যের কাজে হাত দেওয়া আপনার পাশের ডেস্কে বসে কেউ কোন একটা কাজ করছে, হঠাত্ মনে হল নাহ! ও কাজটা ঠিক করে করতে পারছেনা। এই ভেবে নিজেই হয়তো আপনি চলে গেলেন সেটাকে নিজের মতন করে ঠিক করে দেওয়ার জন্যে। কিন্তু আপনি কি জানেন যে, আপনার এই অভ্যাসই আপনাকে থামিয়ে দিতে পারে কর্মক্ষেত্রে? পেছনে নিয়ে যেতে পারে অনেকখানি? শুধু তাই নয়। আপনার এই অহেতুক অনুপ্রবেশকে হয়তো ভালোভাবে নাও নিতে পারে আপনার কলিগ। নিজের কাজকে যথাযথ সম্মানিত হতে না দেখে মনে খারাপ হতে পারে তারও। তাই চারপাশে কার কাজে কি হচ্ছে সেটা না ভেবে নিজের কাজটা ঠিক করে করে ফেলতে চেষ্টা করুন।

৩. ঠিক সময়ে খাবার না খাওয়া অনেককেই বলতে শোনা যায় যে কাজ করতে করতে খাবারেরই সময় পাননি। কিন্তু সত্যিই কি খাবার না খেয়ে অনেক বেশি কাজ করে ফেলেন তারা? বাস্তবে খাবারের অভাব আমাদের শরীর ও মনে এমনিতেই খানিকটা অলসতা আর অবসাদ এনে দেয়। ফলে মাথা কাজ করেনা। ধীর হয়ে যায় কাজের গতি। তাই যতই কাজ থাকুক সময়ের খাবার ঠিক সময়ে খেয়ে নিন।

৪. নিজেকে সময় না দেওয়া অনেকের ধারণা করে থাকেন যে, সফলরা দিন-রাত কেবল কাজ করে। কিন্তু সত্যি বলতে গেলে মানুষ রোবট না। তাই প্রতিটি মানুষেরই দরকার পড়ে বিশ্রামের। অবসরের। সেটা খানিকটা সময়ের জন্যে হলেও। আর তাই প্রচুর কাজ করার মাঝেও বেছে বেছে নিজেকে খানিকটা হলেও সময় দিন। এতে করে মন চাঙা হয়ে উঠবে। কাজের গতি বাড়বে।