মেইন ম্যেনু

বিদেশিদের হত্যা করতে দিল্লি পরিদর্শন করেছিল মুসা

ব্রিটিশ, রাশিয়ান এবং মার্কিন নাগরিকদের ওপর হামলা সংগঠিত ও তাদেরকে হত্যা করতে দিল্লি ও শ্রীনগর পরিদর্শন করেছিল আইএস জঙ্গি সন্দেহে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আটক মুসা।

ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ সূত্রে এই খবর জানা গেছে।

গত শুক্রবার কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে মুসার বিরুদ্ধে পেশ করা চার্জশিটে এই বিষয়টি উল্লেখ করেছে এনআইএ। তদন্তাকারী সংস্থার কাছে স্পষ্ট যে ঢাকার গুলশানে জঙ্গি হামলায় জড়িত মূল চক্রী আবু সুলেমানের কাছে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছে মুসা। বর্তমানে কলকাতার আলিপুরে কেন্দ্রীয় কারাগারে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে রয়েছে মুসা।

মধ্যপ্রাচ্যের আইএস শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মুসার কথোপকথোনের কল লিস্ট পরীক্ষা করেই এনআইএ গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে যে আবু সুলেমানের নির্দেশেই ২০১৫ সালের মে, জুন মাস নাগাদ কাশ্মীরে যায় মুসা, সেখানে প্রায় একমাস কাটায় এবং আইএস পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ করতেও দেখা যায় মুসাকে। কাশ্মীরে অবস্থানকালীন সময়ে ডাল লেকের ধারের একটি হোটেলে ছিল মুসা।

আদালতে পেশ করা এনআইএ’এর চার্জশিটেই এনআইএ জানায় কাশ্মীরে গিয়ে আইএস পতাকা হাতে মুখ ঢাকা মুসার সেই ছবি স্থানীয় টিভি চ্যানেলগুলিতেও দেখা গেছে। ইউটিউবে আপলোড করা আইএস পতাকা হাতে নিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছবি দেখতেও আইএস জঙ্গি সদস্যদের দেখতে বলে মুসা।

মোবাইল চ্যাটে নিজেকে আইএস চর হিসাবেই তুলে ধরে মুসা। শুক্রবার করে শ্রীনগরের নওহাটাতে জামিয়া মসজিদে গিয়ে নামাজও আদায় করতো মুসা। এবং নামাজ শেষেই আইএস পতাকা হাতে নিয়ে শ্রীনগরের রাস্তায় বিক্ষোভে নেমে পড়তেন মুসা।

উল্লেখ্য ১ জুলাই ঢাকায় জঙ্গি হামলার পর ৪ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান রেলস্টেশনে বিশ্বভারতীয় ফার্স্ট প্যাসেঞ্জার থেকে মুসাকে (২৫) আটক করে পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।