মেইন ম্যেনু

বিনা অভিজ্ঞতায় যেভাবে মিলবে ভালো চাকরি

পড়াশোনা শেষ করার পর সবার টার্গেট থাকে ভালো কোনো চাকরি। কিন্তু চাকরি যে সোনার হরিণ। চাইলেই কি আর ভালো চাকরি মিলে? বিশেষ করে যদি না থাকে কোনো অভিজ্ঞতা তাহলে তো চাকরি পাওয়া খুবই কঠিন। তবে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। চাকরি পেতে বেকারদের ভিড়ে নিজেকে স্পেশাল করে তুলতেই হবে আপনাকে৷ কিভাবে ইন্টারভিউতে নিজেকে আর পাঁচজনের থেকে আলাদা প্রমাণ করবেন? তার জন্য রইল কিছু টিপস৷

১. মিথ্যার আশ্রয় নেবেন না

কর্মক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও অনেকে বায়োডাটা-তে ছোটখাটো অভিজ্ঞতার কথা লিখে রাখেন৷ কারণ তাঁদের ধারণা অভিজ্ঞতা দেখলে চাকরির সুযোগ বাড়বে৷ এর মানে হলো, অভিজ্ঞতা না থাকা আপনার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিচ্ছে৷ এমনটা হতে দেবেন না৷ বরং ইন্টারভিউতে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান আপনি নিজেকে প্রমাণ করতে চান, নতুন কিছু শিখতে চান, পরিশ্রম করতে চান৷

২. নিজের গুণের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী হোন

ঠিক যে ক্ষেত্রকে কাজের জন্য বেছে নিতে চাইছেন, সেখানে চাকরি পাওয়ার জন্য কোন কোন বিষয়গুলোতে পারদর্শী হতে হবে, তার একটি তালিকা তৈরি করুন৷ যেমন আপনি যদি হোটেল ম্যানেজমেন্টের ছাত্র হন, তাহলে আপনাকে খুব ভাল স্পোকেন ইংলিশ জানতে হবে৷ তেমনই যদি কম্পিউটার শিক্ষার প্রয়োজন হয়, তবে সেটিও শিখে রাখুন৷ অর্থাৎ ইন্টারভিউতে যাতে সব বিষয়েই আপনি ‘হ্যাঁ’ বলতে পারেন৷

৩. নিজের পদের বিষয়ে জ্ঞান প্রয়োজন

ধরুন একটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছেন৷ প্রশ্নকর্তা আপনাকে জিজ্ঞেস করতে পারেন, কেন এই পদের জন্যই আপনি নিজেকে বেছে নিতে চান৷ এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য আপনাকে তৈরি থাকতে হবে৷ তার জন্য প্রয়োজন পড়াশোনা৷ কেন আপনার ওই পদটিই পছন্দ, তা বোঝানোর জন্য সেই বিষয়ে আপনার জ্ঞান থাকা প্রয়োজন৷

৪. মন জয় করার প্রতিভা

ইন্টারভিউতে শুধু কয়েকটি প্রশ্নের ঠিক ঠিক উত্তর দিলেই যে চাকরি পেয়ে যাবেন, তেমনটা নয়৷ এর সঙ্গে দরকার আরও একটি প্রতিভা৷ তা হলো আপনার ব্যবহার৷ প্রশ্ন-উত্তর পর্ব খুব ভাল না হলেও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ, পেশাদারি মনোভাব, আত্মবিশ্বাস, নমনীয়তা- আপনার সাফল্যের চাবিকাঠি হয়ে উঠতে পারে৷

৫. অন্যদের সঙ্গে সংযোগস্থাপন

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংয়ের যুগে নতুন মানুষের সঙ্গে আলাপ করা বেশ সহজ৷ বড় বা নামী কোম্পানিতে কাজ করেন, এমন মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন৷ তাহলে চাকরির সন্ধানও পাবেন বেশি৷ তার মধ্যে থেকেই বেছে নিন নিজের পছন্দের চাকরিটি৷

৬. ভলান্টিয়ার

চাকরি না পেলে ভেঙে পড়বেন না৷ অনেক ছোটখাটো পার্টটাইম চাকরিও করতে পারেন আপনি৷ এতে অল্প সময়ে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়৷ এতে আপনার নেটওয়ার্কও বাড়বে, পকেটও ভারি হবে৷

৭. পড়াশোনা চালিয়ে যান

চাকরি পেলেই পড়াশোনাকে টাটা-বাই বাই করে দেবেন না৷ পড়াশোনা চালিয়ে যান৷ তা সে কোনো ডিগ্রি হোক অথবা বাড়ি বসে জ্ঞান অর্জনের কোনো বই৷ প্রতিযোগিতার বাজারে ভারী ভারী ডিগ্রির গুঁতোয় চোট খান কম ডিগ্রিধারীরা৷ একে অপরকে টপকে যেতে মরিয়া সবাই৷ তাই যত পারেন পড়াশোনা করুন৷