মেইন ম্যেনু

বিনা শুল্কে আনা যাবে ৬৫ কেজি পণ্য

ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য বিদেশ থেকে বিনাশুল্কে সর্বোচ্চ ৬৫ কেজি পরিমান ব্যাগেজ আনতে আনা যাবে। তবে একটি আইটেম ১৫ কেজির বেশি হতে পারবে না। আকাশ ও জলপথে আসা ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী যাত্রীর ক্ষেত্রে এই সুবিধা রেখে নতুন যাত্রী ব্যাগেজ (আমদানি) বিধিমালা জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

২০১২ সালের বিধিমালা বাতিল করে গত ২ জুন এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এই নতুন বিধিমালা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হয়।

নতুন বিধিমালেতে ‘যাত্রী’ বলতে পর্যটক নয় বিদেশ থেকে আসা এমন যাত্রীকে বুঝানো হয়েছে। আর ‘ব্যাগেজ’ বলতে কোনো যাত্রীর আমদানিকৃত বৈধ খাদ্যদ্রব্য, পরিধেয়, গৃহস্থালি বা অন্যান্য ব্যক্তিগত সামগ্রী বুঝানো হয়েছে। যার প্রত্যেকটি আইটেম ১৫ কেজির বেশি হবে না।

বিধিমালাতে বলা হয়েছে- আকাশ এবং জলপথে আসা ১২ বছর বা তার বেশি বয়সের যাত্রীর সঙ্গে আনা পণ্যের ওজন যদি ৬৫ কেজির বেশি না হয় তবে সেই ব্যাগেজ শুল্ক ও কর পরিশোধ ছাড়াই খালাসযোগ্য। আবার কোনো ব্যাগেজের অতিরিক্ত ৩৫ কেজি পর্যন্ত ওজনের পরিধেয় বস্তু, ব্যক্তিগত ব্যবহারের সামগ্রী, বই, সাময়িকী এবং পড়াশোনার সামগ্রী শুল্ক ও কর ছাড়াই খালাস হবে বা আনা যাবে। সেইসঙ্গে একজন যাত্রী তার পেশাগত কাজে ব্যবহারের জন্য সহজে বহনযোগ্য সকল প্রকার যন্ত্রপাতি শুল্ক ও কর ছাড়াই আমদানি করতে পারবে।

এদিকে ১২ বছরের কম বয়সী যাত্রীর ক্ষেত্রে ৪০ কেজি পর্যন্ত ওজনের কার্টুন, ব্যাগ বা বস্তায় আনা ব্যক্তিগত ব্যাগেজের জন্য শুল্ক ও কর দিতে হবে না। তবে এই ক্যাটাগরির যাত্রীরা এছাড়া অন্য কোনো সুবিধা পাবে না।

এছাড়া একজন বিদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী এক লিটার পর্যন্ত মদ বা মদজাতীয় পানীয় (বিয়ার, স্পিরিট ইত্যাদি) শুল্ক ও কর পরিশোধ ছাড়াই আনতে পারবে।

স্বর্ণালঙ্কার বিষয়ে নতুন এই বিধিমালায় বলা আছে, একজন যাত্রী ১০০ গ্রাম পর্যন্ত স্বর্ণালঙ্কার অথবা ২০০ গ্রাম পর্যন্ত রৌপ্যালঙ্কার শুল্ক ও কর ছাড়াই আনতে পারবে। তবে একই প্রকার অলঙ্কার ১২টির বেশি আনা যাবে না। একজন যাত্রী বিদেশ থেকে দেশে আসার সময় ২৩৪ গ্রাম (২০ তলা) পর্যন্ত ওজনের স্বর্ণবার বা স্বর্ণপিণ্ড অথবা ২৩৪ গ্রাম (২০ তলা) ওজনের রৌপ্যবার বা রৌপ্যপিণ্ড শুল্ক ও কর ছাড়াই আনতে পারবে।

বিধিমালাতে আরো বলা হয়েছে, স্থলপথে আসা একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ৪০০ মার্কিন ডলার মূল্যমানের ব্যাগেজ শুল্ক ও কর পরিশোধ ছাড়াই আমদানি করতে পারবে। আকাশ, স্থল বা জলপথে আসা একজন অসুস্থ, পঙ্গু বা বৃদ্ধ যাত্রীর ব্যবহারের জন্য চিকিৎসা যন্ত্রপাতি বা হুইলচেয়ার আনার জন্য শুল্ক ও কর দিতে হবে না। আবার বাংলাদেশি নাগরিকের বিদেশে মৃত্যু হলে তার ব্যাগেজও শুল্ক ও কর অব্যাহতি পাবে।