মেইন ম্যেনু

বিপিএলে বিদেশি ক্রিকেটারের ঢল, আছেন অস্ট্রেলীয়ও

নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ সফর বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা নারী ক্রিকেট দল। কিন্তু ভেন্যু হিসেবে বাংলাদেশ যে সম্পূর্ণ নিরাপদ, সেটা সবার জানা। আর একারণেই ২১ নভেম্বর বিপিএলের তৃতীয় আসরে বিদেশি ক্রিকেটারের ঢল নামতে যাচ্ছে। বাংলাদেশে খেলতে তারা বিন্দুমাত্র চিন্তিত নন।

বিপেএলে খেলতে আগ্রহী ক্রিকেটারদের আজ তালিকা প্রকাশ করেছে গভর্নিং কাউন্সিল। যে সংখ্যা চমকে ওঠার মতো। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার সিদ্ধান্ত অমূলক প্রমাণ করে বাংলাদেশের লিগ খেলতে ২০০ ক্রিকেটার রেজিস্ট্রেশন করেছেন।

মজার ব্যাপারে হলো, এদের মধ্যে আছেন অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটারও। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার চারজন করে রেজিস্ট্রেশন করেছেন বিপিএলে খেলার জন্য।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নিষেধাজ্ঞার কারণে গত আসরে ছিলেন না পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। কিন্তু এবার নিষেধাজ্ঞা না থাকায় প্রচুরসংখ্যক পাকিস্তানি ক্রিকেটার বিপিএলে খেলার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন। সংখ্যায় তারাই শীর্ষে (৫২ জন)।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক (৪৮ জন) রেজিস্ট্রেশন করেছেন ইংলিশ ক্রিকেটার। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্রিস গেইলের দেশ থেকে রেজিস্ট্রেশন করেছেন ৩৩ জন ক্রিকেটার।

কুমার সাঙ্গাকারাসহ শ্রীলঙ্কা থেকে রেজিস্ট্রেশন করেছেন ২৫ ক্রিকেটার। এছাড়া জিম্বাবুয়ের পাঁচজন, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে চারজন করে, নিউজিল্যান্ডের দুইজন এবং আইসিসি সহযোগী দেশগুলো থেকে ১৩ জন ক্রিকেটার রেজিস্ট্রেশন করেছেন। মানে ভারত ছাড়া সব ক্রিকেট খেলুড়ে দেশের খেলোয়াড়ই বিপিএল খেলতে আগ্রহী।

২০০ বিদেশি ক্রিকেটার রেজিস্ট্রেশন করলেও সবাই বিপিএলে খেলার সুযোগ পাবেন না। বিপিএলে সুযোগ পাবেন মোট ৪২ জন বিদেশি খেলোয়াড়। মানে প্রত্যেক দল সর্বোচ্চ ৭ জন বিদেশি খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন করাতে পারবে। আর একাদশে খেলাতে পারবে চারজন।

আগের দুই আসরের তিক্ত অভিজ্ঞার কারণে এবার ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ ও সর্বনিন্ম মূল্য বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বিদেশি খেলোয়াড়রা ৭০ থেকে ৩০ হাজার ডলার পাবেন। আর দেশি ক্রিকেটারদের দাম ৩৫ থেকে ৫ লাখের মতো।

‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজের’ ভিত্তিতে ৩১ অক্টোবর খেলোয়াড়দের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে।