মেইন ম্যেনু

বিভিন্ন কৌশলে তরুণীদের জিম্মি করে করানো হতো যৌনকাজ

স্বামী-স্ত্রী ও তাদের সহযোগীরা মিলে তরুণীদের জিম্মি করে যৌনকাজে বাধ্য করাতো। নানা কৌশলে ফাঁদে ফেলে তরুণীদের আনা হতো চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকায়। তাদের ফাঁদ থেকে এক তরুণী পালিয়ে খবর দিলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করে।

চান্দগাঁও এলাকায় বুধবার গভীর রাতে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নগরীর চান্দগাঁও থানার ফরিদাপাড়া এলাকার বদিউল আলম (৩৫) ও তার স্ত্রী মণি বেগম (৩২), বদিউলের সহযোগী বেবি আক্তার (৩০), ওমর ফারুক (২৫), আরিফুল ইসলাম (১৯), আবু তালেব (৪৫) ও মো. আলমাস (৩০)।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসিন জানান, গত ২৬ জুলাই বাকলিয়া থানা এলাকা থেকে এক তরুণীকে ফাঁদে ফেলে নিয়ে যায় বদিউলের লোকজন। পরে ওই তরুণীকে চান্দগাঁও থানার ফরিদাপাড়ার একটি ভাড়া বাসায় রেখে জোর করে যৌন ব্যবসায় বাধ্য করা হয়। বুধবার তরুণী সেখান থেকে পালিয়ে এসে তার ভাইকে ঘটনা জানালে তিনি বাকলিয়া থানাকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে বুধবার গভীর রাতে পুলিশ ফরিদাপাড়ায় বদিউলের আস্তানায় অভিযান চালিয়ে বদিউলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরে বদিউলের দেওয়া তথ্যমতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের আরো ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানান, গ্রেফতারকৃত বদিউল ও তার স্ত্রী মিলে যৌন ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। বদিউলের সহযোগীরা নানা কৌশলে ফাঁদ ফেলে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে তরুণীদের এনে জিম্মি করে বিভিন্ন ভাড়া বাসায় রেখে যৌনকাজে বাধ্য করাতো।

তাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে।