মেইন ম্যেনু

বিমানবন্দরের মহিলা চোর…

এরা তিনজন…আগেও এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের হাতে হাতেনাতে চুরির মালসহ ধরা পরে। তখনও তাদের শাস্তি হয়েছিলো…গতকাল আবার একই অভিযোগে ধরা পরলো। এরা ক্লিনার হিসেবে কাজ করে কিন্তু পাশাপাশি করে চুরি। বিমানবন্দরের রপ্তানী কার্গো এরিয়াতে বাংলাদেশের খ্যাতনামা পোশাক নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বিদেশে পাঠানো হবে এমন কার্টন কেটে কয়েক পিচ মাল বের করে। শাড়ীর ভিতরে ঢেকে মাল চুরি করে বাইরে বেরিয়ে আসে। পরবর্তিতে তা বিক্রি করে আশকোনাসহ উত্তরার বিভিন্ন মার্কেটে।

এভাবে রপ্তানিকারকের অজান্তে তাঁর ক্ষতি সাধন করে এবং বিদেশী আমদানীকারকের কাছে বাংলাদেশের মান-মর্যাদা ভূলুন্ঠিত করে। এরা ছিঁচকে চোর কিন্তু এর প্রভাব সুদূর প্রসারী। এইভাবে অভ্যাস চোরদের নিয়ে কীভাবে একটি ক্লিনিং কোম্পানী চলে তা ভাববার বিষয়। একবার চুরি করলো শাস্তি হলো আবার সেই চুরির পেশায় ফেরত আসলো। আজ চুরি করলো ৭ টা দেনিম জিন্স।প্রতিটার দাম ৫০ ডলার। দেখা যাক এই অভ্যাস চোরদের জেল খাটার পর সংশ্লিষ্ট ক্লিনিং কোম্পানি আবার চাকুরীতে পুনর্বহাল করে কী না। এদের চুরি তাদের কাছে কোন বিষয় নয় বলেই আবার চাকুরি ফেরত পায়। মনে হয় এদের কোন দায় দায়িত্ব নেই।এ ভাবে দায়িত্বহীনতার যে সংস্কৃতি আমরা চালু করছি তা আমাদের কোন সর্বনাশা ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত করছে তাহাই ভাববার বিষয়।