মেইন ম্যেনু

বিমান অবতরণ করালো মৌমাছি

হাতি-ঘোড়া গেল তল, মশা বলে কত জল। না, মশাই, মশা নয়, সামান্য মৌমাছির কারণে থেমে গেছে এক যাত্রীবাহী বিমানের উড্ডয়ন। তাও ঝাঁকে ঝাঁকে নয়, মাত্র একটি মৌমাছি থেকে বাঁচতে জরুরি অবতরণ করেছে যুক্তরাজ্যে আভ্যন্তরীণ রুটের একটি ফ্লাইট।

শুক্রবার ইংল্যান্ডের সাউথাম্পটন থেকে আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে যাচ্ছিল যাত্রীবাহী বিই৩৮৪ বিমানটি। কিছুদূর আসার পর অনাকাংঙ্খিত ওই যাত্রীর দিকে নজর পড়ে পাইলটের। তখন তিনি ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। যদিও আসল ঘটনা চেপে রেখে তখন বলা হয়েছিল,‘সন্দেহজনক প্রযুক্তিগত ইস্যু’র কারণে যাত্রাবিরতি করা হয়েছে। তবে গোপন সূত্র জানাচ্ছেন, অবতরণের পর রীতিমত অনুসন্ধান চালিয়ে বিমানের হলুদ আর কালো রংয়ের ওই ভিলেনকে উদ্ধার করা হয়। ততক্ষণে অবশ্য পটল তুলেছে ক্ষুদ্র খলনায়কটি।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিমানের এক মুখপাত্র লন্ডনের ‘দা ইনডিপেন্ডেন্ট’ পত্রিকাকে জানিয়েছেন, ‘আমরা যাত্রী এবং ক্রুদের নিরাপত্তাকে সবসময় অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি। এ কারণেই বিমানটিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। অবশ্য এর ফলে ফ্লাইটটি পুনরায় অবতরণে কিছুটা বিলম্ব হয়।’

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, সাউথাম্পটনে ফিরে আসার আগে বিমানটি দশ মিনিট ধরে আকাশে ভেসে ছিল। দ্বিতীয়বার যাত্রা শুরু করতে ২ ঘণ্টা বিলম্ব হয়েছিল বিমানটির। এ সম্পর্কে বিমানের যাত্রী নয়োল রুনে বলেছেন,‘জীবনে এমন ঘটনা দেখিনি। বিমানে একটি জলজ্যন্ত মধুমক্ষীকা উড়ে বেড়াচ্ছে পাখা মেলে।’

এসব কীটপতঙ্গ বিমানের জন্য ভয়াবহ সমস্যা তৈরি করতে পারে। ১৯৯৬ সালে এক বোলতার কারণে বিধ্বস্ত হয়েছিল ডোমিনিকা প্রজাতন্ত্রের বোয়িং ৭৫৭ বিমানটি। পতঙ্গটি বিমানের বাতাসের গতি নির্ণায়ক টিউবে ঢুকে পড়ায় ওই দুর্ঘটনা হয়। এতে ১৮৯ জন নিহত হয়েছিল।