মেইন ম্যেনু

বিশ্বের যে ৬টি জায়গায় না যাওয়াই ভালো

সারা বিশ্ব জুড়েই এদিক ওদিকে ছড়িয়ে রয়েছে নানা রহস্য। সেই সমস্ত রহস্যের সমাধান অনেকক্ষেত্রেই হয়ে ওঠেনি। এই সমস্ত জায়গাগুলিকে ঘিরে মানুষের মনে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। যে জিনিসটির উপরই থাকে নিষেধাজ্ঞা সেই জিনসটির প্রতিই মানুষের কৌতুহল অপার। বিশ্বে রয়েছে এমনই ৬টি জায়গা যেটিতে পর্যটকদের জন্যেও যাওয়া নিষিদ্ধ। এই ছয়টি জায়গা লুক্কায়িত থাকার পিছনে রহস্যের সমাধান করতে পারেনি কোনও গবেষকও। দেখে নিন সেই ছয়টি জায়গাগুলি সম্পর্কে-

১) উত্তর সেনটিনেল দ্বীপ-

বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপটি। প্রায় ২৮ বর্গকিমি জুড়ে এই এলাকাটি অবস্থিত। আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত এই দ্বীপটি প্রবাল প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। এই দ্বীপের জনবসতি মাত্র ৫০ থেকে ৪০০ সেন্টিনেলিসের। যারা সমগ্র দুনিয়া থেকেই বিচ্ছিন্ন। ১৯৭৫ সালে ন্যাশানাল জিওগ্রাফিকের একজন চিত্র পরিচালক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেয়েও ব্যর্থ হন। এরপর ১৯৯৬ সালে ভার সরকার এদের সঙ্গে যোগাযোগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

২) লাসক্যাউক্স গুহা-

ফ্রান্সের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এই বিশেষ গুহাটি। কথিত আছে, ২০ হাজার বছর আগে এই গুহাটি তৈরি হয়েছে। এই গুহার গায়ে চিত্রিত ছবিগুলি বেশিরভাগই পশুদের ছবি দিয়ে তৈরি। ১৮ বছর বয়সী এক যুবক এই গুহার দরজাটি আবিষ্কার করে। ১৯৪৮ সালে এই গুহাটি পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হলেও ১৯৬৩সালে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কারণ এই গুহার গায়ে খোদাই করা শিল্পগুলি আসতে আসতে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল।

৩) মেট্রো-২-

মস্কোতে রয়েছে এই গোপন মেট্রো। জোসেফ স্ট্যালিন এই এই মেট্রোটির আবিষ্কার করে। ক্রেমলিন থেকে এফএসবি হেডকোয়ার্টার অবধি বিশাল রাস্তাকে যুক্ত করেছে এই মেট্রোর রাস্তাটি।

৪) ইসে গ্র্যান্ড মন্দির-

এটি জাপানে অবস্থিত। এটি পবিত্র ধর্মস্থান হিসেবে বিখ্যাত। এখানে আমাতেরাসুকে পূজা করা হয়। ৪ খ্রীষ্ট পূর্বাব্দে এই মন্দিরটি তৈরি করা হয়েছিল। একমাত্র ধর্মযাজক এবং ধর্মযাজিকারাই এই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারেন। যদি তারা জাপানের সাম্রাজ্যবাদী পরিবারের সদস্য হন।

৫) পূর্ব রেনেল, সলোমন আইল্যান্ড-

এই দ্বীপটিকে UNESCO-র তরফে হেরিটেজের তকমা দেওয়া হয়েছে। বিশ্বাস করা হয়, দৈত্যরা বাস করেন এখানে।

৬) ইস্টার দ্বীপ-

প্রশান্ত মহাসাগরের উপর চিলিতে অবস্থিত এই দ্বীপটি। এটি বিশ্বের অন্যতম প্রান্ত স্থান। সামান্য বেশ কিছু বাসিন্দাও এখানে বাস রয়েছে। কিন্তু তারা কারা সেই বিষয়ে কোনও তথ্য জানা যায়নি।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই