মেইন ম্যেনু

বিশ্বের শীর্ষ ১০ সামরিক শক্তিধর দেশ কোনগুলো, বাংলাদেশের অবস্থান কত?

বিশ্বের শীর্ষ সামরিক শক্তিধর দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্বখ্যাত গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার। এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বরাবরই সামরিক শক্তির ভিত্তিতে একটি র‌্যাংকিং তৈরি করে থাকে। মোট ১২৬ টি দেশকে র‌্যাংকিংয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সামরিক ব্যয়ের ভিত্তিতে প্রণীত র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষ সামরিক শক্তি হিসেবে প্রথম নামটি অনুমিতই। ২০০৫ সাল থেকে এই তালকায় এবারও শীর্ষস্থান ধরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মোট সামরিক ব্যয়ের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায়ও কয়েকগুণ বেশি ব্যয় করে থাকে।

এরপরে যথাক্রমে চীন, রাশিয়া, ভারত, ব্রিটেন, ফ্রান্স, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, জাপান ও তুরস্ক। তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৫৩ তম।

২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক খাতে ব্যয় করেছে ৬০৯.৯ বিলিয়ন ডলার, যা মোট মার্কিন জিডিপির ৩.৫%। যদিও ২০০৫ সালের তুলনায় ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার পরিবর্তে ০.৪% ব্যয় হ্রাস পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মাথাপিছু বার্ষিক সামরিক ব্যয় ১,৮৯১ ডলার।

যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু অস্ত্রধারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। ধারণা করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ভাণ্ডারে কমপক্ষে ৭,১০০ টি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র আছে যা রাশিয়ার তুলনায় সামান্য কম।

তালিকার ২য় স্থানে আছে এশিয়ান পরাশক্তি চীন। চীনের বার্ষিক সামরিক ব্যয় ২১৬.৪ বিলিয়ন ডলার। ২০০৫ সাল থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে চীন তার সামরিক ব্যয় ১৬৭.৪% এরও বেশি বাড়িয়েছে। চীনের মোট জিডিপির ২.১% সামরিক খাতে ব্যয় করা হয়েছে। মাথাপিছু ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৫৫ ডলার।

তালিকায় তৃতীয় নামটি আলোচিত-সমালোচিত দেশ রাশিয়ার। ২০১৪ সালে রাশিয়ার সামরিক ব্যয় ৮৪.৫ বিলিয়ন ডলার। ২০০৫ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে প্রায় ১০০% ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে। মোট জিডিপির ৪.৫% সামরিক খাতে ব্যয়কারী রাশিয়ার মাথাপিছু সামরিক ব্যয় ৫৯৩ ডলার।

তালিকায় বাংলাদেশের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৩ তম। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় ধরা হয়েছে ২.৩ বিলিয়ন ডলার (১৮,১৩৪ কোটি টাকা)। যা মোট জিডিপির ১.৩%। বার্ষিক বাজেটের প্রায় ৬% সামরিক বাহিনীর জন্য ব্যয় করে থাকে বাংলাদেশ।

মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র তুরস্ক শীর্ষ ১০ এর মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। এছাড়া পাকিস্তান ১৭ তম, ইরান ২৩ তম এবং সৌদি আরবের অবস্থান ২৮ তম।