মেইন ম্যেনু

বিশ্বের সবচেয়ে সেরা ১০ বুদ্ধিমান

১. Kim Ung-Yong:কোরিয়ান এই লোকটি কিন্তু বিশ্বের সেরা ধনী কেউ না। কোরিয়ান এই child prodigy মাত্র ২ বছর বয়সে Korean, Japanese, German, আর English এ পারদর্শী হয়ে যায়। ১ মাসেই সে যেকোনো বিদেশি ভাষা আয়ত্ত করে ফেলতো। মাত্র ৪ বছর বয়ষে সে ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেয়।

তখন থেকেই সে জটিল differential আর integral calculus এর সহজ সমাধান দিয়ে দিতে পারতো। আর মাত্র ৮ বছরবয়সেই তার ডাক আসে আমেরিকার NASA হতে। সেখানে তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন গবেষণামূলক কাজ করেন। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি IQ স্কোর ২১০ তারই ছিলো।

২. Gregory Smith:মাত্র ১২ বছর বয়সে যাকে নোবেল পুরস্কার এর প্রার্থী করা হয়েছিলো সে এখন International Youth Advocates এর প্রতিষ্ঠাতা। সে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ঘুরে ঘুরে শিশুদের শিক্ষা আর শিশুদের প্রতি শান্তিপূর্ণ অভিবাবকত্বের কথা বলে। শিশুদের অধিকার নিয়ে কাজ করে এতো অল্প বয়সেই সে খুব সুনাম কামিয়েছে। বিখ্যাত সব টিভি অনুষ্ঠান আর বিখ্যাত লোকদের সাথে তাকে প্রায়ই দেখা যায়। ছোট বেলাতেই সে খুব বুদ্ধিমান ছিলো। ১৪ মাস বয়ষেই সে গাণিতিক সমস্যার সমাধান আর ২-বছর বয়সে পড়তে ও প্রাপ্তবয়স্ক এর ব্যাকরণ সংশোধন করতে পারতো।

৩. Akrit Jaswal:৭ বছর বয়সী ইন্ডিয়ান সার্জেন। ছোট বেলায় খুব অল্প সময়ে সে হাটঁতে শিখে যায় আর ১০ মাস বয়সেই সে কথা বলতে শিখে। আর মাত্র ৬ বছর বয়সেই science এবং anatomy তে তার খুব আগ্রহ দেখে স্থানীয় হাসপাতালের ডাক্তাররা তাকে তাদের করা অপারেশন গুলো পাশে থেকে দেখার সুযোগ করে দিলো। অপারেশন দেখে উৎসাহিত হয়ে সে বাসায় এসে ঐ টপিকগুলো নিয়ে আরো পড়তো। একদিন এক হত দরিদ্র পরিবার তার এই অসামান্য ক্ষমতা দেখে তাদের মেয়েকে বিনে পয়সায় অপারেশন করার অনুরোধ জানায়। মাত্র ৭ বছর বয়ষে সে অপারেশনটি সফলতার সাথে করে দুনিয়ায় চমক সৃষ্টি করে।

৪. Cleopatra Stratan:বিশ্বের সর্ব কনিষ্ঠ গায়িকা যে কিনা মাত্র ৩ বছর বয়সে শতো শতো দর্শকের সামনে টানা ২ ঘন্টা লাইভ পারফর্মেন্স করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলো। ২০০৬ সালে La vârsta de trei ani (“At the age of 3″) নামে একটি এ্যালবাম বের করে যেটি কোনো শিশু শিল্পীর গাওয়া সবচেয়ে ব্যবসায়িক সফল এ্যালবাম। মেয়েটির বাবা একদিন তার নিজস্ব স্টুডিওতে গান রেকর্ড করার সময় সে পাশেই খেলা করছিলো তো হটাৎ করে সে মাইক্রোফোনটি হাতে নিয়ে বাবার সাথে গাইতে শুরু করলো। সবাইতো অবাক!!!

৫. Aelita Andre:অস্ট্রেলিয়ান এই মেয়েটি হাঁটা শেখার আগেই পেইন্টিং শিখেছে। মাত্র ২ বছর বয়সে তার Abstract art এর উপর পিকচার গ্যালারি ছিলো। তার প্রথম solo exhibition হয় নিউইয়র্ক এ ২০১১ সালে যখন তার বয়স ছিলো ৪।
সেখানে তার ২৪টি পেইন্টিং গুলো একেকটা ৪,৪০০-১০,০০০ ডলারে বিক্রি করে।

৬. Saul Aaron Kripke:একজন মার্কিন দার্শনিক এবং logician যিনি হাইস্কুলের ছাত্রাবস্থায় শিক্ষকতা করার প্রস্তাব পেয়েও মায়ের কথামতো আগে নিজের হাইস্কুল আর বিশ্ববিদ্যালয় পড়া শেষ করার জন্য তা ফিরিয়ে দেন। ১৯৬০ সাল থেকে Kripke গাণিতিক যুক্তিবিজ্ঞান, ভাষার দর্শন, গণিত দর্শন, অধিবিদ্যা, জ্ঞানতত্ত্ব, এবং সেট তত্ত্ব ক্ষেত্রগুলিতে একজন কেন্দ্রীয় চরিত্র। তার কাজের অনেক বাকি রয়ে গেছে অপ্রকাশিত অথবা শুধুমাত্র টেপ-রেকর্ডিং এবং প্রাইভেটে প্রচারিত প্রাচীন পাণ্ডুলিপি হিসাবে। Kripke যুক্তিবিজ্ঞান, বিশেষত প্রকারীয় লজিক(modal logic) এ মূল অবদান রেখেছেন। Kripke ২০০১ সালে Logic and Philosophy তে Schock পুরস্কার পান। একটি সাম্প্রতিক জরিপের বিগত ২০০ বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিকের মধ্যে Kripke স্থান পেয়েছিল শীর্ষ দশে।

৭. Michael Kevin Kearney:একটি রিয়ালিটি শো থেকে যিনি বিলিয়নার হয়েছেন তিনি ৬ বছর বয়সে স্কুল আর ১০ বছর বয়সে কলেজ শেষ করে ১৭ বছর বয়সে শিক্ষকতা শুরু করেন। বিশ্বের সর্ব কনিষ্ঠ গ্র্যাজুয়েট তিনি। ২০০৮ সালে জিতেন টেলিভিশন গেইম শো Who Wants to be a Millionaire? থেকে $১০,০০,০০০।

৮. Fabiano Luigi Caruana: ২০০৭ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে দাবায় গ্র্যান্ডমাষ্টার!! ইটালি আর আমেরিকার দ্বৈত নাগরিক এই দাবাড়ু ফিদে ২০১২ লিষ্টে বিশ্বে ৭তম আর World Junior এ প্রথম স্থানে আছে।

৯. Willie Mosconi: Mr. Pocket Billiards” খ্যাত এই লোকটি ৬বছর বয়সে পুল (পকেট বিলিয়ার্ড) খেলেছেন। কিন্তু বাবার অনুমোতি না থাকায় রান্না ঘরে ছোট গোল আলু আর ঝাটার লাঠি(broomstick) দিয়ে খেলতেন। তিনি ১৫ বার World Straight Pool Championship জিতেন।

১০. Elaina Smith: সে একজন কনসালট্যান্ট, ৭ বছর বয়সী মেয়েটি একটি রেডিও স্টেশনে জীবনের বিভিন্ন সমস্যার পরামর্শ দিয়ে থাকে। সামাজিক, পারিবারিক কিংবা প্রেম ভালোবাসা বিষয়ে সে চট্‌ করে একটা পরামর্শ দিয়ে দেয় যা কিনা বাস্তব সম্মত বটে!!