মেইন ম্যেনু

বিশ্বের সেরা পাঁচ হোটেল স্যুট

এই পৃথিবী কার বা কাদের? এই প্রশ্নের উত্তর অনেকভাবেই দেয়া যেতে পারে, তবে আমাদের দৃষ্টিতে এই পৃথিবী শুধু ভ্রমন পিপাসুদের জন্য। এই গ্রহের মানুষ হওয়া স্বত্ত্বেও খুব অল্প সংখ্যক মানুষই আছেন যারা গোটা পৃথিবীর অধিকাংশ স্থান ঘুরে দেখতে পারেন। ইবনে বতুতা কিংবা ফা হিয়েনের সময় শেষ হয়ে এখন চার্লসদের সময়। একটা সময় ছিল যখন ভ্রমনপিপাসু ব্যাক্তিরা পথের ক্লান্তি দূর করা কিংবা কিছুদিন যাত্রাবিরতি নেবার জন্য বিভিন্ন খানকাহয় অবস্থায় করতেন। কিন্তু সময় এখন পাল্টেছে, মানুষ এখন কোথাও যাবার আগেই সেই স্থান এবং বাসস্থানের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জেনেই তবে যায়। তাই যারা ভ্রমনপিপাসু আছেন, তারা চাইলে এমন কয়েকটি হোটেলের এবং তার দামি স্যুটের নাম জেনে রাখতে পারেন, যাতে পৃথিবীর আভিজাত্যময় জগতটাও একটু ঘুরে দেখা যায়।

রয়েল স্যুট, বুর্জ আল আরব, দুবাই

রয়েল স্যুট, বুর্জ আল আরব, দুবাইদুবাইয়ের এই হোটেলটিতে রয়েছে রাজকীয় আভিজাত্যের ছোয়া। ভেতরে প্রবেশ করলে মনে হবে এযেন এক স্বপ্নের মহল। আধুনিক সুযোগ সুবিধার সবই পাওয়া যাবে এই হোটেলটিতে। হোটেলের দুই কক্ষ বিশিষ্ট রয়েল স্যুটগুলোতে রয়েছে দুটি করে বেডরুম। রুম দুটির আভ্যন্তরীন শিল্পশৈলী ও কারুকাজ নজর কারার মত। হোটলটিতে রয়েছে ব্যাক্তিগত ভাবে সিনেমা দেখার জায়গা ও অতিথিদের জন্য নিজস্ব খানসামা। এছাড়া হোটেলের রুমের জানালা দিয়ে দুবাই শহরের সুন্দর ও মনোরম দৃশ্য উপভোগ করার স্যুটাগতো থাকছেই।

পেম্বা দ্বীপের, মান্তা রিসোর্ট আন্ডাওয়াটার স্যুট

পেম্বা দ্বীপের, মান্তা রিসোর্ট আন্ডাওয়াটার স্যুটএটি আফ্রিকার প্রথম পানির নীচে রিসোর্ট। যা ভারত মহাসাগরের ১৩ ফুট নীচে অবস্থিত। রিসোর্টটিতে রয়েছে সার্বক্ষণিক খানসামা ব্যবস্থা, রয়েছে অতিথিদের জন্য ব্যাক্তিগত বার। এছাড়া যতদিন তারা সেখানে অবস্থান করবে তাদের জন্য থাকবে আইপ্যাড ও আইম্যাক(অ্যাপলের কম্পিউটার) এর ব্যবস্থা। তবে এই হোটেলটি পানির নীচে নানা প্রজাতির মাছ দেখার জন্য বিখ্যাত। অনেক ভ্রমনপিয়াসী পানির নীচে মাছদের এই অবাধ বিচরণ দেখার জন্যও হোটেলটিতে আসেন।

নিউইয়র্কের ফোর সিজন হোটেলের তি ওয়ার্নার স্যুট

নিউইয়র্কের ফোর সিজন হোটেলের তি ওয়ার্নার স্যুটনিউইয়র্কের তি ওয়ারনার স্যুট পৃথিবীর দ্বিতীয় ব্যায়বহুল স্যুটগুলোর মধ্যে একটি। ৩৬০ ডিগ্রী অ্যাঙ্গেলে তৈরি এই হোটেল রুমটিতে বসে নিউইয়র্ক শহরের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যাবে। এছাড়া রুমের বেশির ভাগ দেয়ালেই চোখে পড়বে ফ্রান্সের চিত্র শিল্পিদের আঁকা নানা চিত্রকর্ম।

দক্ষিণ আফ্রিকার লায়ন দ্বীপের, ট্রিহাউস

দক্ষিণ আফ্রিকার লায়ন দ্বীপের, ট্রিহাউসদক্ষিণ আফ্রিকার গাছের উপর তৈরি এই রিসোর্টগুলো পৃথিবীর বিখ্যাত সব রিসোর্টগুলোর চেয়ে দেখতে একটু ভিন্ন। তবে যারা প্রকৃতিপ্রেমী তাদের জন্য রিসোর্টটি অন্যতম। খোলা আকাশের নীচে রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে এইখানে। সকাল হলে পাখির ডাকে ঘুম ভাঙার সঙ্গে সিংহের গর্জন ও শুনতে পাওয়া যাবে গাছের ওপর তৈরি এই রিসোর্টটিতে।

প্রেসিডেনশিয়াল স্যুট, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হংকং

প্রেসিডেনশিয়াল স্যুট, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হংকংহংকং শহরের সামগ্রিক দৃশ্য দেখা যাবে প্রেসিডেনশিয়াল স্যুট থেকে। ব্যয়বহুল এই হোটেলে থাকতে হলে পর্যটকদের গুনতে হবে মোটা অংকের টাকা। এছাড়াও সার্ভিস চার্জের জন্য দিতে হবে অতিরিক্ত দশ শতাংশ। সাত হাজার স্কয়ার ফুটের এই স্যুটটিতে থাকবে পাঁচটি বেডরুম, ডাইনিংরুম আর তার সঙ্গে থাকছে হংকং শহর ও ভিক্টোরিয়া হার্ভারের নজরকারা মনোরম দৃশ্য।

এছাড়াও বিশ্বজুড়ে দেখা মিলবে নানা রকম ব্যায়বহুল সব হোটেলের। এরমধ্যে লাস ভেগাসের স্কাই ভিলা পাম কেসিনো রিসোর্ট, বাহামাসের আটলান্টিক পেরাডাইসের ব্রিজ স্যুট অন্যতম।