মেইন ম্যেনু

বিশ্বের সেরা সুন্দরীদের ১০ দেশ (দেখুন ছবিতে)

প্রত্যেক নারীই সুন্দরী, কারণ প্রত্যেক নারী আলাদা বা অনন্য। সুন্দরী হচ্ছে দর্শকের দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার। সুন্দরী হওয়া শুধু শারীরিক আকৃতির ওপরই নির্ভর করে না। বরং সুন্দরী হতে হলে আরও অনেক অভ্যন্তরীণ বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। গোটা বিশ্বেই সুন্দরী নারী রয়েছে। তবে কিছু দেশ এক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাহলে চলুন, বিশ্বের ১০টি দেশের অনন্য সুন্দরীদের সম্পর্কে জানা যাক।

Beauty-1

রাশিয়া : রাশিয়ান সুন্দরীরা বিশ্ব খ্যাত। প্রখ্যাত টেনিস খেলোয়াড় মারিয়া সারাপোভা কিংবা আনা কুর্নিকোভা অথবা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জিম্যানাস্ট আলিনা কাবায়েভা এবং শীর্ষ মডেল ইরিনা শায়েকের নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। রাশিয়ার এ রকম সুন্দরী নারী আপনাকে আশ্চর্যজনকভাবে আকর্ষণ করতে পারে। রাশিয়ান নারীদের চিত্তাকর্ষক নীল চোখ, নিখুঁত মুখমণ্ডল, পারফেক্ট দৈহিক কাঠামো এবং বিস্ময়কর আকষর্ণীয়তা যেকোনো পুরুষকে প্রলুব্ধ করতে পারে এবং প্রথম দেখাতেই যে কেউ প্রেমে পড়তে পারে।

Beauty-2

সুইডেন : পৃথিবীর উত্তরের, বিশেষ করে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের, দীর্ঘদেহী, স্বর্ণকেশী ও নীল চোখওয়ালা নারীরা বিশ্বের অন্যতম সুন্দরী হিসেবে পরিচিত। প্রখ্যাত মডেল, অভিনেত্রী ও টিভি উপস্থাপক কারিন ভিক্টোরিয়া সিলভস্তত এবং পেট্রা সিলান্ডার, দানি কার্লোসনের মতো মডেল শুধু সুইডেনে নয়, বরং গোটা বিশ্বে সুন্দরী হিসেবে পরিচিত। এমনকি অনেকে সুইডেনের নারীদের নর্ডিক দেবী হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

Beauty-3

ভারত : ভারতীয় নারীদের প্রকৃত সৌন্দর্য লুকিয়ে রয়েছে তাদের রহস্যময় কালো চোখের নিচে। লম্বা-কালো চুল ও বিষন্ন রূপ সত্যিই তাদের রহস্যময় ও অদ্ভূতভাবে আকর্ষণীয় করে তোলে। বলিউডের সবচেয়ে দামী অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্ব সুন্দরী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, শ্রেয়া ঘোষাল ও দীপিকা পাড়ুকোন ভারতীয় সুন্দরীদের অন্যতম উদাহরণ।

Beauty-4

ইতালি : ইতালি হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম ফ্যাশন সেন্টার। সেই সূত্রে দেশটির নারীরাও ব্যাপক ফ্যাশনপ্রিয়। বিশ্বের অনেক সুন্দরী ভূমধ্যসাগরীয় এ দেশটিতে জন্ম নিয়েছেন। এর মধ্যে প্রখ্যাত অভিনেত্রী ও মডেল মনিকা বেলুচি, এলিসাবেত্তা কানালিস, রাফায়েল্লা ফিকো, নিকোলা মিনেতি ও আরও অনেকের নাম উল্লেখ করা যায়। তাছাড়া সোফিয়া লরেন ও গিনা লল্লোব্রিগিদার নাম উল্লেখ না করলেই নয়।

Beauty-5

অস্ট্রেলিয়া : চমৎকার অভিনেত্রী নিকোলে কিডম্যান, মার্গট রব্বি ও ভিক্টোরিয়ার রহস্যময় মডেল মিরান্ডা কীরের মতো সুন্দরীরের জন্মস্থান হওয়ার কারণেই অস্ট্রেলিয়া এই তালিকায় চলে এসেছে। অস্ট্রেলিয়ান নারীদের যদি কেউ বিশ্বের সবচেয়ে হট নারী হিসেবে আখ্যায়িত করে তাহলেও অত্যুক্তি করা হবে না। আর আপনার যদি সন্দেহই হয়, তাহলে অস্ট্রেলিয়ান সৈকতে একদিন সময় কাটাতে পারেন, তাহলে নিজেই বুঝবেন কেন অস্ট্রেলিয়াকে এই তালিকায় রাখা হয়েছে।

Beauty-6

ব্রাজিল : ফুটবল, আকর্ষণীয় সৈকত ও মোহিতকর উৎসবের দেশ ব্রাজিল। এখানকার ফুটবল স্টেডিয়াম থেকে সৈকত এমনকি স্টোরগুলোতেও সুন্দরীদের দেখা মেলে। আকৃতির দিক থেকে এরা শীর্ষে। তাছাড়া এরা তাদের আকর্ষণীয় বডি দেখাতেও দ্বিধা করে না। জাতিগত মিশ্রণের কারণে ব্রাজিলিয়ান নারীরা বেশ অদ্ভুত ও কামুক হয়। অ্যান্ড্রিনা লিমা, জিসেলি বান্ডচেন, আলেসান্দ্রা অ্যাম্ব্রোসিও, তাইস আরুজোর মতো অনেক সুন্দরী ব্রাজিলে জন্ম নিয়েছেন।

Beauty-7

সার্বিয়া : প্রখ্যাত ক্রীড়াবিদ অর্থাৎ টেনিস খেলোয়াড় আনা ইভানোভিক অথবা অ্যাথলেট ইভানা স্প্যানোভিক এবং শীর্ষ স্থানীয় মডেল আলেকসান্দ্রা ভুকোভিকের মতো অসংখ্য সুন্দরীর জন্ম পূর্ব-ইউরোপের এই ছোট্ট দেশটিতে। সার্বিয়ান নারীদের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যে যেকোনো বিদেশী হতবাক ও বিমোহিত হতে পারেন।

Beauty-8

ভেনিজুয়েলা : সবচেয়ে বেশি বিউটি প্যাজেন্ট বিজয়ীর দেশ দক্ষিণ আমেরিকার ভেনিজুয়েলা। দেশটির নারীরা তাদের আকর্ষণীয়তা, আবেগময়তা ও মুগ্ধকারিতার জন্য সত্যিই গর্বিত। অভিনেত্রী ও মডেল গাবি এসপিনো এবং মডেল ও টিভি উপস্থাপিকা নর্লেস রড্রিগুয়েজের মতো অনেক ন্যাচারাল বিউটি রয়েছে দেশটিতে।

Beauty 9

কলম্বিয়া : ল্যাটিন আমেরিকার আরেক সুন্দরীর দেশ হলো কলম্বিয়া। বিশ্ব মাতানো গায়িকা শাকিরা, অভিনেত্রী সোফিয়া ভার্গারা, ইভোন দেলারোজা ও জুলেই হ্যানয়ের মতো অসংখ্য সুন্দরীর জন্ম দেশটিতে। তবে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, কোনো বিদেশী কলম্বিয়ান নারীকে বিয়ে করুক কিংবা অন্য দেশে নিয়ে যাক তা সহ্য করতে পারে না দেশটির পুরুষরা।

Beauty-10

আর্জেন্টিনা : সর্বশেষ ফ্যাশনে আর্জেন্টিনার নারীরা সত্যিই আশ্চর্যজনক ও চমৎকার। স্পেনিশ ও ইতালিয়ান মিশ্রণের আর্জেন্টাইনরা শুধু ফ্যাশনপ্রিয় নয় বরং খেলার প্রতিও রয়েছে তাদের অত্যধিক ঝোঁক। দেশটিতে অনেক বিউটি রয়েছেন যাদের অনেকের আবির্ভাব হয়েছে আবার অনেকে এখনও সেভাবে পরিচিতি পাননি। আর্জেন্টিনার সবচেয়ে সুন্দরী মডেল হলেন আইনস রিভেরো। যাকে ভিক্টোরিয়ার ‘গোপন দূত’ বলা হয়।