মেইন ম্যেনু

বিসিবির পাশে আইসিসি

যুব বিশ্বকাপ আয়োজনে আইসিসিকে পাশে পাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির প্রতি সংস্থাটি তাদের ‘দৃঢ় আস্থা’র কথা জানিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া যুব দল বাংলাদেশে পাঠাবে না এমন ইঙ্গিত মিলছিল বেশ কয়েকদিন আগেই। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড চেষ্টা করে তাদের আনতে। আইসিসিও বসে থাকেনি। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে আশ্বস্ত করার সব ধরনের চেষ্টা করে সংস্থাটি। এমনকি তাদের জানানো হয়, এই টুর্নামেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্ব শুধু বাংলাদেশের নয়। আইসিসিরও। কেননা এটি বাংলাদেশের আয়োজনে হচ্ছে না। সম্পূর্ণ আইসিসির আয়োজনে।

তবু ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার মন ভরেনি। দেশের সরকারের পরামর্শে তারা যুব বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে একই অজুহাতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে তাদের জাতীয় দল পাঠাতে বেঁকে বসে। শেষ পর্যন্ত তারা সফরটি স্থগিতও করে।

আইসিসি ইতিমধ্যে জানিয়েছে, স্বাধীন একটি নিরাপত্তা সংস্থার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে। সবদিক খতিয়ে দেখা গেছে, বিদেশি ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে এই অঞ্চলে কোনো ঝুঁকি নেয়।

আইসিসি ঘোষণা দিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার পরিবর্তে আয়ারল্যান্ডকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আয়ারল্যান্ডের যুবারা বাছাইপর্বের ফাইনাল থেকে বাদ পড়ে। তারা রানার্সআপ হয়েছিল। কুয়ালালামপুরে আয়োজিত ওই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে তারা বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় এই যুব বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেত। অস্ট্রেলিয়া না আসায় তাদের সেই সুযোগ মিলছে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করে আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভিড রিচার্ডসন বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারছি অস্ট্রেলিয়া সরকারের সিদ্ধান্তের কারণেই এমনটি হয়েছে। আমরা স্পষ্টত এই সিদ্ধান্তে হতাশ।’

‘আইসিসি তাদের টুর্নামেন্টের নিরাপত্তার ব্যাপারটি খুব গুরুত্বপূর্ণভাবে নেয়। যুব বিশ্বকাপের ক্ষেত্রেও এটি বজায় আছে। স্বাধীন নিরাপত্তা সংস্থার মাধ্যমে আমরা খতিয়ে দেখেছি বাংলাদেশে খেলোয়াড়দের কোনো ঝুঁকি নেই।’

টুর্নামেন্ট তার নিজস্ব গতিতে চলব বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন রিচার্ডসন, ‘আইসিসির কাছে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক তারকা তৈরির ক্ষেত্রে এই টুর্নামেন্টের একটা সুনাম রয়েছে। বিসিবির প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। বাংলাদেশেই এই টুর্নামেন্ট শেষ হবে।’