মেইন ম্যেনু

বিয়ের জন্য পাত্রী চেয়ে বিক্ষোভে নেমেছেন অবিবাহিত পুরুষরা!

৮ থেকে ৮০ বিয়ের কথা বললে সবাই খুশি! মনের মতো পাত্রী পেলে বিয়ে করতে নেই কোনো বাঁধা। তবে অনেক ক্ষেত্রেই বাদ সাদে কিছু ছোট খাটো কারণ। আর তখনি হয় ঝামেলা। তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত গ্রাম উজুমলু। কিন্তু সেই গ্রামটি নাকি আশপাশের গ্রামের মেয়েদের একেবারেই পছন্দ নায়। আর এ কারণে ওই গ্রামের ছেলেদের বিয়ে করতে চায়না তারা। তাই বিয়ে করার আগ্রহ থাকলেও আয়বুড়ো হতে হচ্ছে সে গ্রামের ছেলেদের। এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করলেন উজুমলু গ্রামের অবিবাহিত পুরুষরা।

কিন্তু এই সমস্যা নিয়ে পড়ে থাকলে তো অার হবেনা। তাই অবিবাহিত যুবকদের সমস্যার সমাধানের জন্য তারা তুরস্কের রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপও চেয়েছেন। বিয়ের জন্য পাত্রী চেয়ে বিক্ষোভ করার কারণ হলো দীর্ঘ নয় বছর ধরে গ্রামে কোনো বিয়ে হয়নি। ২৫-৪৫ বছর বয়সী অবিবাহিত ছেলেদের সংখ্যা বেড়ে চলছে পাল্লা দিয়ে। অন্যদিকে বিয়ে না হওয়ার কারণে আসছে না পরবর্তী প্রজন্ম। জনসংখ্যাও শেষ নয় বছরে কমে প্রায় অর্ধেক নেমে এসেছে।

কিন্তু তাদের বিয়ে না হওয়ার তেমন কোনো করণও তারা দেখছেনা। আবার এমনটি নয় যে উজুমলু গ্রামের পুরুষরা হতদরিদ্র। বলতে গেলে অন্য গ্রামের পুরুষদের থেকে তাদের সম্পদ কোনো অংশেই কমনয়। তবে কেন মেয়েরা তাদের বয়ে করছেন? এটা নিয়েই তাদের মনে ক্ষোভ জমে রয়েছে। আর সে কারণে তারা এবার বউয়ের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে। মেয়েদের থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার দুঃখে জর্জরিত হয়ে অবসাদে ভুগছে এখন সেই গ্রামের পুরুষরা।

ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শহর থেকে দূরে অবস্থিত উজুমলু গ্রামে সংসার করতে রাজি নন অনেক মহিলাই। শহরের বুকে নিজেদের যৌবন অতিবাহিত করতে চাইছেন তুর্কি এসব রমণীরা। কারণ তারা এতদিন শহরের পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন। কিন্তু এখন হঠাৎ করেই গ্রামের পরিবেশে নিজেকে মানি নিতে পারবেন না। এটাই তাদের প্রধান কারণ বলে জানা গিয়েছে। তাদের এই মনোভাব বদলানোর জন্য অকাতর আবেদন করছেন ওই দেশের অবস্থিত উজুমলু গ্রামের পুরুষরা।