মেইন ম্যেনু

বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের নামে কলেজটি ১০বছরেও দেখেনি আলোর মুখ

স্বাধীনতার সর্ব শ্রেষ্ঠ খেতাব পাওয়া জাতির শ্রেষ্ঠসন্তান বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের জন্ম দ্বীপ জেলা ভোলায় ১৯৪১ সালে। তিনি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হওয়া সত্বেও স্বাধীনতার পর থেকে তার এই নিজ জেলা ভোলায় তার নিজের নামে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি।

অবশেষে ভোলা জেলার অতি পরিচিত নাম অলীনগর ইউনিয়নের ব্কশীবাড়ির সন্তান সত্তর দশকের বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, নাট্যকার কবি নাসির আহমেদের নিরলস প্রচেষ্ঠায় ২০০৪ সালে আলীনগর ইউনিয়নে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের নামে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে কলেজটিতে ২০০ জনের অধিক ছাত্র/ ছাত্রী অধ্যয়নরত। কলেজটি ২০০৪ সালে শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও বরিশাল শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক পাঠ দানের অনুমতি পায় ও ২০০৯ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি লাভ করে।

শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে কলেজের বিগত বছরের ফলাফল সন্তোষজনক এবং যা ইতিমধ্যে ২০০৯ সালে ১০০% ফলাফলসহ বরিশাল বোর্ডে তৃতীয় স্থান এবং ভোলাতে প্রথম স্থান লাভ করার গৌরব অর্জন করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য, কলেজটি ২০০৯ সালে এমপিও ভূক্তির জন্য আবেদন করেও সামান্য কিছু কাগজ পত্রের ত্রুটির কারনে তা আর সামনে এগোয় নি।

বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের মা মালেকা বেগম কবি নাসির আহমেদ এর সহযোগীতায় গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাৎ করেন। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী কলেজটি এমপিও ভূক্ত করার ব্যাপারে শহীদ জননীকে আশ্বস্থ করেছিলেন। কিন্তু অধ্যবদি কলেজ তার কোন সুফল পাইনি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরও অধ্যবদি কলেজটির এমপিও ভুক্ত না হওয়ায় আদৌ কি হবে কলেজটি এমপিওভুক্ত হবে? এমন প্রশ্ন শহীদ পরিবার সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের।

নাকি এভাবেই অন্ধকারে থেকে যাবে শিক্ষক-কর্মচারীসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। কবে পাবে কলেজটি এমপিও নামে অধরা সেই সোনার হরিণের দেখা? দীর্ঘ ১০ বছর নিরলস পরিশ্রম আর সংগ্রাম করে যাওয়া কলেজটির শিক্ষক-কর্মচারীদের চোখে এখন শুধু হতাশার ছায়া। তাই প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছে, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল কলেজটিকে অতি দ্রুত এমপিও ভুক্ত করে কলেজটির একাডেমিক ভবন বরাদ্দ করে দেয়ার দাবী জানিয়েছেন বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শহীদ পরিবার ।