মেইন ম্যেনু

বেইলী ব্রীজ যখন মরণফাদ : চলাচলে অযোগ্য

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার রাউজান-পাহাড়তলী যোগযোগ মাধ্যম হাফেজ বজলুর রহমান সড়কের ঊনসত্তর পাড়ার পূর্বে আলাদা পাড়া এলাকার বেইলী ব্রীজটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পথচারীসহ যাত্রীদের চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। চার দশক পূর্বে নির্মিত এই পুরাতন বেইলী ব্রীজটি এখনো মেরামত করা হচ্ছে না ।

মেরামত না করায় একেবারেই বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। তারপরও মালবাহী যানবাহন, যাত্রীবাহী অটোরিকশা, মোটর সাইকেল, রিকশা-সাইকেল, জীপ (চাঁদের গাড়ী)সহ অসংখ্য যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। অতিগুরুত্বপূর্ণ সড়কের এই ব্রীজটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মেরামত না করলেও বেহাল অবস্থা দেখে স্থানীয়রা ভাঙা অংশে কাঠ দিয়ে মেরামত করেন। দফায় দফায় ব্রীজটির এ করুন অবস্থার জন্য ব্রীজ দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রাখতে হয়।

এতে চরম সমস্যায় পড়েন যাতায়াতকারীরা। ব্রীজে যানবাহন উঠামাত্র ঝুঁকিপূর্ণ বেইলী ব্রীজটিতে ব্যবহৃত কাঠগুলো দুমড়ে মুচড়ে নিচে পড়ে যায়। আর এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয। স্থানীয়রা জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রতিনিয়ত মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিকল্প সড়ক ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে এ ব্রীজ দিয়ে যান চলাচল করছে। দ্রুত ব্রীজটি মেরামত না করলে প্রাণহানীর ঘটনাও ঘটতে পরে বলে আশংঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, গত চার দশক আগে নির্মাণ করা হয় হাফেজ বজলুর রহমান সড়কের বেইলী ব্রীজটি। ব্রীজটি দীর্ঘদিন ধরে এই বেহাল দশায় থাকলে যেন কারো চোখে পড়ছে না। স্থাানীয় সূত্রে জানায়, ব্রীজটি চার দশক আগে নির্মাণ করা হলেও কখানো মেরামত করা হয়নি। কোনভাবে মেরামত করে ব্রীজটি আপাতত চালু করলেও ভারী যানচলাচলে ঘটতে পারে প্রাণ নাশের ঘটনা।

তাই বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এলাকাবাসী ও চালকরা এ বেইলী ব্রীজটি দ্রুত অপসারণ করে সেখানে পাকা সেতু নির্মাণের দাবি জানান। বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ বেইলী ব্রীজের স্থানে টেকসহ পাকা ব্রীজ নির্মাণে স্থানীয় সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের সুনজর প্রয়োজন।