মেইন ম্যেনু

বেকসুর খালাস পাবেন মীর কাসেম : খন্দকার মাহবুব

যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলী বেকসুর খালাস পাবেন বলে আশা করেছেন তার প্রধান আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ না থাকায় মীর কাসেম আলী বেকসুর খালাস পাবেন।’

বুধবার দুপুরে আদালত থেকে বেরিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতির কক্ষে খন্দকার মাহবুব সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘মীর কাসেমের বিরুদ্ধে জসীম হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু জসীমের ভাই জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. রাজীব আদালতে সাক্ষ্য দিতে আসেননি। আমি আদালতে আবেদন জানিয়েছি, তার বিরুদ্ধে যেহেতু কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ নেই সেজন্য তাকে বেকসুর খালাস দেয়া যেতে পারে অথবা এ মামলা পুনরায় শুনানি করা যেতে পারে।’

মাহবুব বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এই মামলায় আদালতে সাক্ষ্যপ্রমাণ সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেননি। ১৯৭১-এ মীর কাসেম আলী চট্টগ্রাম ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিলেন বলে প্রসিকিউশন বলেছে। কিন্তু সেসময় তিনি চট্টগ্রাম ছাত্র সংঘের সভাপতি ছিলেন না, তিনি ছিলেন সেক্রটারি।’

মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে আগে কখনোই যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনা হয়নি জানিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, ‘তাকে হয়রানী করতেই এ মামলা দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কাসেমের বিরুদ্ধে জসীম হত্যার অভিযোগ প্রমাণে যে সাক্ষী আনা হয়েছে তিনি ছিলেন শোনা সাক্ষী। জসীমের বোন মাসিক স্বীকৃতি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। কিন্তু এই পত্রিকার মধ্যে কোথাও মীর কাসেমের বিরুদ্ধে জসীম হত্যার বিষয়ে লেখা হয়নি, প্রমাণও নেই।’

মীর কাসেমের এ আইনজীবী সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রসিকিউশন আদালতে একটি বই উপস্থাপন করেছে, তার নাম হল- ‘এই যে সময় আনন্দ বেদনার’। সেই বইয়ের মধ্যে শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া ও এরশাদের ‍কিরুদ্ধে সমালোচনা ছিল। কিন্তু মীর কাসেমের নাম এর মধ্যে ছিল না। এই বইয়ের লেখক ওই সময়ের ক্ষমতাসীন ব্যক্তির বিরুদ্ধে লিখলেও মীর কাসেমের বিরুদ্ধে লেখননি।’

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় খন্দকার মাহবুব হোসেনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মীর কাসেমের অপর আইনজীবী এসএম শাহজাহান, মীর কাসেমের ছেলে ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাসেম আরমানসহ অন্যান্য আইনজীবীরা।