মেইন ম্যেনু

বেকিং সোডার গোপন উৎস যেগুলো

বেশিরভাগ মানুষই বেকিং সোডা বা খাওয়ার সোডা সহ্য করতে পারেন। কিন্তু বেশি খেয়ে ফেললে তা অনেক ধরণের স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। বেকিংসোডা হচ্ছে সোডিয়াম বাই কার্বোনেট। যদি আপনি উচ্চ রক্ত চাপে ভুগে থাকেন তাহলে বেকিংসোডা গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক হতে হবে আপনাকে। পুষ্টিবিদদের মতে অনেক বেশি সোডা গ্রহণ করলে কিডনি ও হার্টের উপর প্রভাব পড়ে এবং মাথা ব্যথা সৃষ্টি করে। অনেক ধরণের খাবারের মধ্যেই বেকিংসোডা থাকতে পারে যা জেনে আপনি অবাক হবেন। চলুন তাহলে জেনে নিই বেকিংসোডার গোপন উৎসগুলোর বিষয়ে।

১। ফুড কালার

বেকিংসোডায় স্থিরকারী ও শক্ত দলায় পরিণত করার উপাদানে সমৃদ্ধ বলে ফুড কালারিং জেলে ব্যবহার করা হয়। মিষ্টি, বেকড পণ্য এমনকি চাটনিতেও ফুড কালার ব্যবহার করা হয়। খাদ্যের বর্ণ পরিবর্তনের জন্য প্রাকৃতিক উপাদান যেমন- বীট ফল ব্যবহার করতে পারেন।

২। এন্টাসিড

বুক জ্বালাপোড়া ও গ্যাসের সমস্যায় সবচেয়ে দ্রুত সমাধান হচ্ছে এন্টাসিড সেবন করা। জাঙ্ক ফুড বেশি খেলে প্রায়ই এটি গ্রহণ করতে হয়। এন্টাসিডের প্রধান উপাদানই হচ্ছে বেকিংসোডা এবং এটি খুবই কার্যকরী। কিন্তু সমস্যাটি হয় তখনই যখন প্রায়ই এটি গ্রহণ করা হয়।

৩। ভাত

বেশিরভাগ রেস্টুরেন্টে ভাত রান্নার সময় বেকিংসোডা ব্যবহার করা হয়। এর ফলে ভাতগুলো ফোলা ও লম্বা হয়। যদি আপনি বেশি পরিমাণে খান তাহলে আপনার রাইস এ সোডা যোগ করতে নিষেধ করুন অথবা সালাদ বা স্যুপ গ্রহণ করুন।

৪। ক্যানে সংরক্ষিত মটরশুঁটি বা শিমের বীচি

কর্ম ব্যস্ত মানুষের জন্য মটরশুঁটি বা শিমের বীচি জীবন রক্ষাকারী খাদ্য। কিন্তু কৌটায় যে তরলের মধ্যে এটি রাখা হয় তাতে উচ্চমাত্রার সোডিয়াম বাইকার্বোনেট থাকে। যা প্রিজারভেটিভ হিসেবে কাজ করে।

৫। সিদ্ধ সবজি

অনেকেই মটর, গাজর ইত্যাদি সবজি সিদ্ধ করার সময় সামান্য বেকিংসোডা দিয়ে থাকেন। এতে সবজিগুলোকে সতেজ দেখায় এবং সবজির রঙ উজ্জ্বল দেখায়। হয়তো আপনি বাসায় এটি ব্যবহার করেন না কিন্তু রেস্টুরেন্টে সালাদ তৈরির সবজিতে বেকিংসোডা ব্যবহার করা হয়।

৬। বিস্কুট এবং কুকি

শুধু কেক বা মাফিনের মধ্যেই নয় বেশিরভাগ বেকড খাবারেই বেকিংসোডা ব্যবহার করা হয়। সোডা বিস্কুট এবং কুকিকে নরম ও ঝুরঝুরে গঠন দেয়। বিস্কুট ও কুকি খেলেও চিনির পাশাপাশি বেকিংসোডা গ্রহণের ও সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।