মেইন ম্যেনু

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ১৬ টি সিসি ক্যামেরা

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি)এর প্রশাসনিক ভবন ও বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যে বাস ভবনে লাগানো হচ্ছে ১৬ টি সিসি ক্যামেরা।

জানা গেছে , বেরোবিতে একের পর এক মারপিট, সংঘর্ষ, বিভিন্ন দফতরে ছাত্রসংগঠনের চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘঠিত হয়েই চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ টির মতো ছোট বড় এধরণের ঘটনা ঘটেছে। এর জন্য ১২ টির মতো তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু কোন তদন্তের ফলাফল আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আর এর মূল কারণ হিসাবে তদন্ত কমিটির সদস্যরা বলছেন শক্তিশালী তেমন কোন প্রমাণ না পাওয়া। আর এসব অপরাধকে নিয়ন্ত্রণ করতেই ক্যাম্পাসে বসানো হচ্ছে ১৬ টি সিসি ক্যামেরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের প্রধান মোহাম্মদ আলী বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে লাগানো হচ্ছে সিসি ক্যামেরা। যাতে সিসি ক্যামেরা থেকে সংগৃহীত ফুটেজ থেকে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়।

তিনি আরো বলেন, যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে এ ধরনের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা বেশি তাই আপাতত প্রশাসনিক ভবন ও উপাচার্যের বাস ভবনে এসব সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।

সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরে হামলার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিও খুঁজছে শক্তিশালী প্রমাণ। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় যদি কোন প্রমাণ আমরা খুঁজে না পাই তবে অভিযোগ আমলে নেওয়া সম্ভব হবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম জানান, প্রশাসনিক ভবনে ৮ টি ও উপাচার্যের বাস ভবনে ৮টি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। কাজ শেষ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন ক্যামেরা বসানো ইতোমধ্যে শেষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোর্শেদ উল আলম রনি বলেন, নিশ্চয়ই এধরনের উদ্যোগ অনেক ভালো। এতে কেউ অপরাধ করতে ভয় পাবে এ জায়গাগুলোতে।

সিসি ক্যামেরা বসানোয় ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে আতঙ্ক দেখা গিয়েছে । সিসি ক্যামেরা বসানোয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে কাজ ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ কমবে । এর ফলে, উপকার পাবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় , রংপুর (বেরোবি) এর সাধারণ শিক্ষার্থীরা ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ সেশনের অনার্স ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি গণিত বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ড. আর এম হাফিজুর রহমান জানান, সিসি ক্যামেরা বসানোয় অপরাধের প্রমাণ পাওয়া সহজ হবে। আর অপরাধ করতে অপরাধীরা ভয়ও পাবে।