মেইন ম্যেনু

বেঙ্গালুরুতে কোহলি-ভিলিয়ার্সের ‘সেঞ্চুরি’ তাণ্ডব

কি ঝড়টাই না বয়ে গেল গুজরাট লায়ন্সের বোলারদের ওপর দিয়ে! বিরাট কোহলি আর এবি ডি ভিলিয়ার্সের ব্যাটিং তাণ্ডবে শনিবার (১৪ মে) খড়কুটোর মতোই উড়ে গেল ব্রান্ডন ম্যাককুলামদের বোলিং লাইন। কোহলি-ভিলিয়ার্স দুজনই দেখা পেলেন সেঞ্চুরির। আর তাদের নির্মম ব্যাটিং দেখে টি২০ ক্রিকেটের রোমাঞ্চকর শিহরণে ভেসে গেলেন ক্রিকেট ভক্তরা।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে (আইপিএল) এদিন বিকালে মুখোমুখি হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও গুজরাট লায়ন্স। ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাটিং করেছে বেঙ্গালুরু। মাত্র ১৯ রানে বেঙ্গালুরুর ড্যাশিং ওপেনার ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান তারকা ক্রিস গেইলকে আউট করে উল্লাসে মেতেছিল গুজরাটের বোলাররা। কিন্তু সেই উল্লাস শেষ অবধি তাদের জন্য কান্নায় পরিণত হয়েছে! কেননা, ভিলিয়ার্স-কোহলির নির্দয় ব্যাটিংয়ে নিঃস্ব-রিক্ত হতে হয়েছে গুজরাটের বোলারদের।

ম্যাচে ৫২ বল খেলে ১২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন ভিলিয়ার্স। তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছিলেন ৪৩ বলে। আইপিএলের ইতিহাসে যা পঞ্চম দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। ভিলিয়ার্সের ইনিংসটিতে ছিল ১০টি বাউন্ডারি ও ১২টি ছক্কা।

এদিকে, ফর্মের তুঙ্গে থাকা বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক কোহলি ইনিংসের ২ বল বাকি থাকতে আউট হলেও ৫৫ বল খেলে করেছেন ১০৯ রান। এর মধ্যে বাউন্ডারি ছিল ৫টি; ছক্কা ছিল ৮টি। ইনিংসের ১৯তম ওভারে গুজরাটের স্পিনার শিভিল কৌশিকের প্রথম ৫ বলে একটি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কা মেরেছেন তিনি। এবারের আইপিএলে এটি কোহলির তৃতীয় সেঞ্চুরি।

সব ধরনের টি২০ ক্রিকেট মিলিয়ে এর আগে মাত্র একবারই একই ম্যাচে একই দলের দুই ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরি করার রেকর্ড ছিল। ২০১১ সালে মিডলসেক্স ও গ্লুস্টারশায়ারের ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন দুই সতীর্থ ব্যাটসম্যান কেভিন ও’ব্রেইন এবং হামিশ মার্শাল। শনিবার তাদের রেকর্ডে ভাগ বসালেন কোহলি-ভিলিয়ার্স জুটি। আর তাদের ‘সেঞ্চুরি’ তাণ্ডবের ম্যাচে গুজরাটকে ২৪৯ রানের পাহাড়সম টার্গেট ছুঁড়ে দিয়েছে বেঙ্গালুরু; তাও আবার মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে। জবাবে মাত্র ১০৪ রানে অলআউট হয়ে ১৪৪ রানে ম্যাচ হেরেছে গুজরাট।