মেইন ম্যেনু

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ২ লাখ টন পণ্য বেশি আমদানি

দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ২০১৩-১৪ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রায় দুই লাখ টন পণ্য বেশি আমদানি হয়েছে।

২০১৩-১৪ অর্থবছরের আমদানি করা হয়েছিল ৫ লাখ ৪৪ হাজার টন। আর ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পণ্য আমদানি হয়েছে ৭ লাখ ৪০ হাজার ৮০৩ টন পণ্য।

বন্দর সংশি¬ষ্টরা বলছেন, গত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসজুড়ে দেশে ছিল রাজনৈতিক অস্থিরতা, যে কারণে বেনাপোল বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি কমে গিয়েছিল। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ব্যবসায়ীরা আমদানি বাড়িয়েছেন।

বেনাপোল বন্দরের পরিসংখ্যান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জুলাই মাসে পণ্য আমদানি করা হয়েছে ৫৫ হাজার ৭৮১ টন, আগস্টে ৫ হাজার ৬৩৮ টন, সেপ্টেম্বরে ৬২ হাজার ৭৩৩ টন, অক্টোবরে ৪৯ হাজার ৫৬৪ টন, নভেম্বরে ৬৩ হাজার ১২০ টন, ডিসেম্বরে ৬৫ হাজার ৯৫ টন, জানুয়ারি মাসে ৬১ হাজার ৭৬৮ টন,র্ফেরুয়ারী মাসে ৭১ হাজার ২০৯ টন, মার্চ মাসে ৭৬ হাজার ২০৬ টন, এপ্রিল মাসে ৬৯ হাজার ৩৭৩ টন, মে মাসে ৭২ হাজার ৩৮৬ টন এবং জুন মাসে আমদানি হয়েছে ৮৭ হাজার ৯৩০ টন পণ্য।

বেনাপোল সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, লাগাতার অবরোধ আর দফায় দফায় হরতালের কারণে বেনাপোল দিয়ে পণ্য আমদানি কমে গিয়েছিল।এ অবস্থা কেটে যাওয়ার পর ব্যবসায়ীরা চাহিদা অনুযায়ী আমদানি করেছেন।তিনি বলেন, হয়রানি বন্ধ এবং বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের দাবি করা ক্লিয়ারিং হাউস চালু হলে আমদানি-রফতানিতে গতি ফিরে আসবে এই বন্দরে। একই সঙ্গে সবার আন্তরিকতা থাকলে আমদানি-রফতানি কার্যক্রমের গতিশীলতা যেমন বাড়বে তেমনি সরকারের রাজস্ব আদায়ও বেড়ে যাবে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার এ এফ এম আবদুলহ খান বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা কেটে যাওয়ার পর পণ্যের চাহিদা বাড়ায় ব্যবসায়ীরা আমদানি বাড়িয়েছেন। বেনাপোলকে আরও গতিশীল করতে ব্যবাসায়ীদের সঙ্গে আমরা একসঙ্গে কাজ করছি।

যশোর চেম্বার অব কমার্স এর সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান খাঁন বলেন, গত অর্থবছরের প্রথম দিক অর্থাৎ জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসজুড়ে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলেছে। এ জন্য দেশের বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ব্যবসা করতে পারেননি। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে বলে ব্যবসায়ীরা আমদানি বেশি করছেন।